চিনির পর এবার আগুন ঝড়াচ্ছে গুড়ের বাজার! উৎসবের আগেই ১০০ টাকা ছুঁল দাম, কপালে চিন্তার ভাঁজ

চিনির বাজার চড়ার পর এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরের বাজেট ও মিষ্টির স্বাদে বড়সড় ধাক্কা দিতে আসছে গুড়ের মূল্যবৃদ্ধি। উৎসবের মরসুম দোরগোড়ায় কড়া নাড়তেই হু হু করে আকাশছোঁয়া হতে শুরু করেছে গুড়ের দাম, যা মধ্যবিত্তের পকেটে নতুন করে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করেছে।

দাম ছুঁয়েছে প্রতি কেজি ১০০ টাকা চলতি বছরের ২৫ আগস্ট মুম্বই এপিএমসি (APMC)-র পাইকারি বাজার সূত্রে প্রাপ্ত খবর অনুযায়ী, গুড়ের দাম একলাফে বেড়ে প্রতি কেজি প্রায় ৮০ থেকে ১০০ টাকায় গিয়ে ঠেকেছে। বাজারের বিভিন্ন ক্যাটাগরি ও মানের ওপর নির্ভর করে এই দাম আরও বেশি হতে পারে। পাশাপাশি, সাধারণ খুচরা বাজারে গুড়ের এই দাম আরও চড়া মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। বিশেষ করে মহারাষ্ট্র এবং উত্তর প্রদেশের মতো দেশের প্রধান গুড় উৎপাদনকারী রাজ্যগুলিতে বিগত দুই সপ্তাহে গুড়ের দামে এক বিরাট উল্লম্ফন লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে দাম এক ধাক্কায় প্রায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে।

উৎসবের মরশুমে কি আরও বাড়বে খরচ? শিল্প সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও ব্যবসায়ীদের মতে, আসন্ন পুজো ও উৎসবের মরশুমে লাড্ডু কিংবা অন্যান্য ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি তৈরিতে গুড়ের চাহিদা ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পায়। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে আখের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ার আশঙ্কায় দাম এই পর্যায়ে পৌঁছেছে। আগামী অক্টোবর মাসে নতুন উৎপাদনের মরশুম শুরু না হওয়া পর্যন্ত দাম স্থিতিশীল হওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। এমনকি এই চড়া দাম ২০২৭ সাল পর্যন্ত বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। চিনির পাশাপাশি গুড়ের এই লাগামছাড়া মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ ক্রেতা থেকে শুরু করে মিষ্টি প্রস্তুতকারক—উভয়কেই বিপাকে ফেলছে।