কালীপুজোয় নাইটআউট করলেও নো চিন্তা! গভীর রাতে শহর-শহরতলিতে ছুটবে ৬ জোড়া স্পেশাল ট্রেন, দেখুন রুট ও সময়সূচি

দুর্গাপুজোর মতো কালীপুজো এবং দীপাবলিতেও মেতে ওঠে শহর কলকাতা থেকে শুরু করে পুরো রাজ্য। আর পুজোর দিনগুলিতে রাত জেগে মণ্ডপে মণ্ডপে ঠাকুর দেখার উৎসাহ থাকে সাধারণ মানুষের মধ্যে। দর্শনার্থীদের সেই আনন্দের কথা মাথায় রেখে এবং গভীর রাতে বাড়ি ফেরার নিশ্চিন্ত ব্যবস্থা করতে এগিয়ে এল পূর্ব রেল। শিয়ালদা ডিভিশনে চালানো হবে অতিরিক্ত রাত্রিকালীন ইএমইউ (EMU) স্পেশাল ট্রেন।
রেল সূত্রের খবর, আগামী ৮ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর রাত পর্যন্ত মোট ৬ জোড়া বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শিয়ালদা, ডানকুনি, বারাসত, বনগাঁ, হাসনাবাদ, রানাঘাট এবং ব্যারাকপুর রুটে এই ট্রেনগুলি পরিষেবা দেবে। উৎসবের রাতে ছোট-বড় সব স্টেশনের যাত্রীরাই যাতে সুবিধা পান, সেই জন্য ট্রেনগুলি যাত্রাপথের প্রতিটি স্টেশনেই দাঁড়াবে।
এক নজরে নাইট স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচি:
আপ ট্রেনের সময়সূচি:
০৩১৬১: শিয়ালদা থেকে রাত ১১টায় ছেড়ে ডানকুনি পৌঁছবে রাত ১১টা ৪২ মিনিটে।
০৩১৬৩: শিয়ালদা থেকে রাত ১২টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে বারাসত পৌঁছবে রাত ১টা ৩৫ মিনিটে।
০৩১৬৫: বারাসত থেকে রাত ১টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে বনগাঁ পৌঁছবে রাত ৩টেয়।
০৩১৬৭: বারাসত থেকে রাত ১টা ১০ মিনিটে ছেড়ে হাসনাবাদ পৌঁছবে রাত ২টো ৩৬ মিনিটে।
০৩১৬৯: শিয়ালদা থেকে রাত ১২টা ৪০ মিনিটে ছেড়ে রানাঘাট পৌঁছবে রাত ২টো ৩০ মিনিটে।
০৩১৭১: ব্যারাকপুর থেকে রাত ১টা ২৫ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদা পৌঁছবে রাত ২টো ১০ মিনিটে।
ডাউন ট্রেনের সময়সূচি:
০৩১৬২: ডানকুনি থেকে রাত ১১টা ৫৫ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদা পৌঁছবে রাত ১২টা ৩৭ মিনিটে।
০৩১৬৪: বারাসত থেকে রাত ১টা ১০ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদা পৌঁছবে রাত ১টা ৫৫ মিনিটে।
০৩১৬৬: বনগাঁ থেকে রাত ১১টায় ছেড়ে বারাসত পৌঁছবে রাত ১২টা ১০ মিনিটে।
০৩১৬৮: হাসনাবাদ থেকে রাত ১১টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে বারাসত পৌঁছবে রাত ১২টা ৫৬ মিনিটে।
০৩১৭০: রানাঘাট থেকে রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে ছেড়ে শিয়ালদা পৌঁছবে রাত ১টা ৪০ মিনিটে।
০৩১৭২: শিয়ালদা থেকে রাত ১২টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে ব্যারাকপুর পৌঁছবে রাত ১টা ১৫ মিনিটে।
প্রয়োজনে ছুটবে আরও অতিরিক্ত ট্রেন: উৎসবের রাতে আচমকা যাত্রীর ভিড় বেড়ে গেলে পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রস্তুত রেল কর্তৃপক্ষ। শিয়ালদা উত্তর, রানাঘাট এবং বারাসত স্টেশনে চালকদল-সহ একটি করে ইএমইউ রেক ‘স্ট্যান্ডবাই’ হিসেবে রাখা থাকবে। অর্থাৎ ভিড় খুব বেশি হলে অবিলম্বে আরও ট্রেন চালানো সম্ভব হবে, যাতে যাত্রীদের কোনো দুর্ভোগ পোহাতে না হয়।