ওষুধ ছাড়া নিমেষে উধাও হবে হাঁটুর ব্যথা? জেনে নিন চিকিৎসকদের চমকপ্রদ তথ্য!

ওষুধ ছাড়াই মিলবে দীর্ঘস্থায়ী উপশম। আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে সম্প্রতি চিকিৎসকমহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শারীরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে আকুপাংচার চিকিৎসা বর্তমানে অত্যন্ত কার্যকর একটি বিকল্প পদ্ধতি হিসেবে দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করছে। বিশেষ করে হাঁটুর ব্যথার ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি প্রচলিত অন্যান্য চিকিৎসার তুলনায় অনেক দ্রুত ফল দেয়। পাশাপাশি, শরীরের নানা ধরনের জটিল ব্যথায় এটি একটি অত্যন্ত নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে।
মাইগ্রেন, সাইনাস কিংবা পক্ষাঘাত বা প্যারালাইসিসের মতো গুরুতর সমস্যার ক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়েই এই চিকিৎসা শুরু করা গেলে রোগীদের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া সম্ভব। এই আধুনিক ও বৈজ্ঞানিক চিকিৎসা পদ্ধতির কার্যকারিতা নিয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট অভিজ্ঞ চিকিৎসক দেবাশিস বক্সী। তিনি জানান, মানবদেহের নির্দিষ্ট আকু-পয়েন্টগুলোতে বিশেষ সূচ বা নিডেল প্রয়োগের মাধ্যমে স্নায়ুকে সক্রিয় করে তোলা হয়। এই প্রক্রিয়া শরীরে রক্ত সঞ্চালন উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে এবং দীর্ঘমেয়াদি বা তীব্র ব্যথা দ্রুত কমাতে দারুণভাবে সাহায্য করে।
ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা নানা জটিলতা এড়িয়ে যারা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন শারীরিক ব্যথায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য আকুপাংচার একটি অত্যন্ত নিরাপদ ও কার্যকর উপায়। হাওড়ার মৌরিগ্রাম স্টেশন সংলগ্ন ‘ইন্ডিয়ান রিসার্চ ইনস্টিটিউট ফর ইন্টিগ্রেটেড মেডিসিন’-এ আকুপাংচারের মাধ্যমে নানা ধরনের স্বাস্থ্য সমস্যার আধুনিক ও উন্নত পরিষেবা প্রদান করা হচ্ছে। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে বহু রোগী এখানে চিকিৎসার জন্য আসছেন এবং নিয়মিত পরিষেবা নিয়ে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যাচ্ছেন। সঠিক সময়ে অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে আকুপাংচার শুরু করলে জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যাধি থেকেও স্থায়ী মুক্তি পাওয়া পুরোপুরি সম্ভব বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।