উৎসবের মরশুমে বড় স্বস্তি! একধাক্কায় কতটা সস্তা হলো সোনা-রুপো? কেনাকাটার আগে দেখে নিন

ধনতেরস ও দেওয়ালি উপলক্ষে কেনাকাটার ধুম লেগেছে চারদিকে। এই উৎসবের মরশুমে যদি আপনারও সোনা কিংবা রুপো কেনার পরিকল্পনা থেকে থাকে, তবে আপনার জন্য রয়েছে অত্যন্ত স্বস্তিদায়ক এক দুর্দান্ত খবর। ২৯ অক্টোবরের তুলনায় ৩০ অক্টোবর সকালে কলকাতার বাজারে বেশ খানিকটা নিম্নমুখী সোনা ও রুপোর বাজার দর। শুধু ২২ ক্যারেটের গয়নার সোনাই নয়, পাশাপাশি ২৪ ক্যারেট ফাইন গোল্ড এবং ১৮ ক্যারেট সোনার দামেও লক্ষণীয় পতন দেখা গেছে। এর সঙ্গেই একধাক্কায় অনেকটাই সস্তা হয়েছে রুপো।
স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটি (SSBC) কর্তৃক প্রকাশিত ৩০ অক্টোবর সকাল ১০টা ২০ মিনিটের সর্বশেষ আপডেট অনুযায়ী, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রামের বিক্রয়মূল্য কমে দাঁড়িয়েছে ১৩,৩৮০ টাকায়। উল্লেখ্য, ঠিক আগের দিন অর্থাৎ ২৯ অক্টোবর এই দাম ছিল ১৩,৫০৫ টাকা। ফলে মাত্র একদিনের ব্যবধানে প্রতি গ্রামে দর কমেছে ১২৫ টাকা। অন্যদিকে, ২২ ক্যারেট সোনার প্রতি গ্রামের ক্রয়মূল্য দাঁড়িয়েছে ১২,৮১৫ টাকা, যা আগের দিন ছিল ১২,৯৩৪ টাকা (গ্রামে কমেছে ১১৯ টাকা)।
২৪ ক্যারেট বিশুদ্ধ ফাইন গোল্ডের (৯৯৫) ক্ষেত্রে প্রতি গ্রামের দাম কমে হয়েছে ১৪,০৮৩ টাকা। বৃহস্পতিবার এই দর ছিল ১৪,২১৪ টাকা, অর্থাৎ প্রতি গ্রামে পতন হয়েছে ১৩১ টাকা। একইভাবে ১৮ ক্যারেট সোনার দর প্রতি গ্রামে ১০০ টাকা কমে ১১,০৮৫ টাকা থেকে সরাসরি ১০,৯৮৫ টাকায় নেমে এসেছে।
সোনার পাশাপাশি রুপোর বাজারেও এসেছে রেকর্ড পতন। ৯৯৯ বিশুদ্ধতার এক কেজি রুপোর দর ২৯ অক্টোবর যেখানে ছিল ১ লক্ষ ৯৬ হাজার ৩৮৩ টাকা, তা শুক্রবার কমে দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ৮৮ হাজার ৯৭ টাকায়। ফলে মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রতি কেজি রুপোতে হ্রাস পেয়েছে প্রায় ৮,২৮৬ টাকা।
উৎসবের ঠিক মুখেই সোনা ও রুপোর বাজারে এই দরপতন নিশ্চিতভাবেই সাধারণ ক্রেতাদের মুখে হাসি ফোটাবে। তবে গয়নার দোকানে কেনাকাটা করতে যাওয়ার আগে একটি জরুরি বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন— স্বর্ণ শিল্প বাঁচাও কমিটি প্রদত্ত এই সূচকে কিন্তু ৩ শতাংশ জিএসটি (GST) অন্তর্ভুক্ত নেই। তাছাড়া গয়নার ধরন অনুযায়ী মেকিং চার্জ বা গড়ার মজুরি পৃথকভাবে যুক্ত হবে।