উপসাগরীয় যাত্রীরা চরম দুর্ভোগে! এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বিমান বাতিলের খবরে ক্ষুব্ধ শশী থারুর

কেরালা থেকে উপসাগরীয় দেশগুলিতে যাওয়া এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বহু বিমান শীতকালীন সূচিতে বাতিল হতে পারে বলে প্রকাশিত রিপোর্টে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বরিষ্ঠ কংগ্রেস নেতা এবং তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুর তিনি এই বিষয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও সিইও ক্যাম্পবেল উইলসনের কাছে চিঠি লিখেছেন।

রিপোর্ট অনুযায়ী, অক্টোবর মাসের শেষ থেকে মার্চ মাসের মধ্যে তিরুবনন্তপুরম, কোচি, কোঝিকোড় এবং কান্নুর বিমানবন্দর থেকে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের বেশ কিছু পরিষেবা প্রত্যাহার করা হতে পারে।

এক্স (পূর্বে টুইটার)-এ একটি পোস্টে থারুর উল্লেখ করেন যে কেরালা আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে দেশের অন্যতম ব্যস্ত কেন্দ্র, বিশেষত উপসাগরীয় অঞ্চলে কর্মরত, শিক্ষাগত বা পারিবারিক কারণে ভ্রমণকারী বিপুল সংখ্যক যাত্রীর জন্য। তিনি সতর্ক করে বলেন, “এই পর্যায়ে পরিষেবা হ্রাস করলে অনিবার্যভাবে প্রবাসী শ্রমিক, ছাত্র, পর্যটক ও পরিবারগুলিকে চরম কষ্টের মুখে পড়তে হবে, একই সঙ্গে ব্যবসা ও পর্যটনও বাধাগ্রস্ত হবে।”

তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ এয়ার ইন্ডিয়ার এই পদক্ষেপের কঠোর সমালোচনা করে এটিকে কেরালার প্রয়োজনগুলির প্রতি ‘অবহেলা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে দেশের দীর্ঘতম একক-সেক্টর অভ্যন্তরীণ বিমান রুট (দিল্লি–তিরুবনন্তপুরম) থেকেও বিমান সংস্থাটি ইতিমধ্যে বিজনেস-ক্লাস পরিষেবা প্রত্যাহার করে নিয়েছে, যা যাত্রীদের জন্য ‘জ্বালার ওপর নুনের ছিটে’ দেওয়ার শামিল।

থারুর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন যে এয়ার ইন্ডিয়া যদি কেরালায় তাদের উপস্থিতি কমাতেই থাকে, তবে ইন্ডিগো এবং আকাসা এয়ারের মতো অন্য বিমান সংস্থাগুলি সুবিধা পাবে। তিনি বলেন, “যারা আমাদের প্রাপ্য মনোযোগ দেবে, তাদের প্রতি আমাদের আনুগত্য পরিবর্তন করতে বিন্দুমাত্র দ্বিধা থাকবে না।”

তিনি আরও জানান যে তিনি প্রকাশ্যে এয়ার ইন্ডিয়াকে তাঁর প্রিয় বিমান সংস্থা বললেও, পরিস্থিতি না বদলালে তাঁর সমর্থনও বদলাতে পারে। তিনি লেখেন, “যখন তথ্য পরিবর্তিত হয়, তখন মতামতও পরিবর্তিত হতে পারে।” এই বিষয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।