‘ইচ্ছাকৃত হলে ফল ভোগ করতে হবে’, চলন্ত সিঁড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় হুমকি ট্রাম্পের!

রাষ্ট্রপুঞ্জে (UNGA) ভাষণ দিতে গিয়ে এক অপ্রীতিকর পরিস্থিতির শিকার হলেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্প। চলন্ত সিঁড়িতে পা রাখার ঠিক মুহূর্তে সেটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ট্রাম্প। এই ঘটনাকে তিনি ইচ্ছা করে ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন এবং এর নেপথ্যে যারা রয়েছে, তাদের ফল ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।

ঘটনা ও হুমকি
সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ডোনাল্ড ট্রাম্প ও মেলানিয়া ট্রাম্প চলন্ত সিঁড়ির দিকে এগিয়ে আসছেন। তারা সিঁড়িতে পা রাখার পরই সেটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পরও সেটি চালু না হওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে সাধারণ সিঁড়ি ব্যবহার করেন।

এই ঘটনায় হোয়াইট হাউসের প্রেস সচিব ক্যারোলিন লিয়েভিট তদন্তের দাবি করেছেন। তিনি বলেন, “যদি এটি ইচ্ছাকৃত হয়, তাহলে এর পেছনে যারা আছে, তাদের ভুগতে হবে।” পরে Fox News-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান যে, তিনি ব্যক্তিগতভাবে বিষয়টি দেখবেন।

রাষ্ট্রপুঞ্জের ব্যাখ্যা
ট্রাম্পের অভিযোগের পর রাষ্ট্রপুঞ্জ এই ঘটনার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক জানিয়েছেন, ট্রাম্পের ভিডিওগ্রাফার ফার্স্টলেডি মেলানিয়ার সঙ্গে তার আগমনের ছবি তোলার জন্য আগেই সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে গিয়েছিলেন। তিনি সম্ভবত অসাবধানতাবশত চলন্ত সিঁড়ির সুরক্ষা ব্যবস্থাটি চালু করে দিয়েছিলেন, যার ফলে সিঁড়িটি বন্ধ হয়ে যায়। এই সুরক্ষা ব্যবস্থা সাধারণত কোনো কিছু বা কেউ সিঁড়িতে আটকে গেলে কাজ করে। এই ব্যাখ্যার মাধ্যমে রাষ্ট্রপুঞ্জ বোঝাতে চেয়েছে যে, এটি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত কাজ ছিল না, বরং একটি দুর্ঘটনা।