তিরিশের পরে মাতৃত্ব: বয়স বাড়লে গর্ভধারণে কী ধরনের জটিলতা বাড়ে? জানুন চিকিৎসকদের জরুরি পরামর্শ

মাতৃত্বের সঠিক বয়স কোনটি? তিরিশের কোঠা পেরোলে মা হতে চাইলে কী কী ঝুঁকি ও শারীরিক চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়, তা নিয়ে সম্প্রতি চিকিৎসকমহল ও হবু মায়েদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। বর্তমান কর্মব্যস্ত যুগে অনেক নারীরাই দেরিতে সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, যা জন্মহার এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের ওপর বিশেষ প্রভাব ফেলছে।

চিকিৎসা বিজ্ঞান অনুযায়ী, কুড়ির কোঠায় নারীদের প্রজনন ক্ষমতা সবচেয়ে প্রবল থাকে। তবে বয়স ৩০ বা ৩৫ অতিক্রম করার পর ডিম্বাণুর গুণগত মান ও সংখ্যা কমতে শুরু করে। এর ফলে গর্ভধারণের সময় নানা ধরনের জটিলতা, যেমন গর্ভপাত, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস এবং জন্মগত ত্রুটির ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। বিশেষ করে ৩৫ বছর বয়সের পর চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অত্যন্ত জরুরি।

তবে সঠিক জীবনযাত্রা, সুষম আহার এবং নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে এই ঝুঁকিগুলো অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব। দেরিতে মা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে প্রতিটি নারীর উচিত নিজের শারীরিক সক্ষমতা ও প্রজনন স্বাস্থ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া।