পুলিশের রিভলভার কেড়ে পালানোর চেষ্টা! ভোররাতের তাণ্ডবে খতম ধর্ষণে অভিযুক্ত প্রহ্লাদ

বারুইপুরের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায় ঘটে গেল এক ভয়াবহ এনকাউন্টারের ঘটনা। একাদশ শ্রেণির ছাত্রীকে নির্যাতন ও নির্মমভাবে খুনের ঘটনায় গ্রেফতার হওয়া মূল অভিযুক্ত প্রহ্লাদ দাসের মৃত্যু হলো পুলিশের গুলিতে। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পুনর্নির্মাণের (Crime Scene Reconstruction) জন্য অভিযুক্তকে অপরাধস্থলে নিয়ে যাওয়া হলে সে এক পুলিশ আধিকারিকের রিভলভার ছিনিয়ে নিয়ে গুলি চালিয়ে পালানোর মারাত্মক চেষ্টা করে। পাল্টা আত্মরক্ষার্থে পুলিশ গুলি চালালে গুরুতর জখম হয় প্রহ্লাদ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বনগাঁ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, গাইঘাটার চাঞ্চল্যকর এই নির্যাতন ও খুনের ঘটনার পর তদন্ত প্রক্রিয়া দ্রুত গতিতে এগোচ্ছিল। অপরাধের চুলচেরা বিশ্লেষণ ও প্রমাণ সংগ্রহের স্বার্থে মঙ্গলবার ভোররাতে অভিযুক্ত প্রহ্লাদকে সঙ্গে নিয়ে পুলিশ একটি টিম গঠন করে অকুস্থলে পৌঁছায়। কিন্তু সেখানে পৌঁছানো মাত্রই পুলিশের নজর এড়িয়ে এক আধিকারিকের সার্ভিস রিভলভার কেড়ে নেয় অভিযুক্ত এবং পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে ধাওয়া করে পালানোর চেষ্টা চালায়।
অভিযুক্তের এই অতর্কিত আক্রমণে এলাকায় মারাত্মক আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। বাধ্য হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং নিজেদের আত্মরক্ষায় পুলিশ পালটা গুলি চালাতে শুরু করে। এতেই গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে অভিযুক্ত প্রহ্লাদ। এই ঘটনার পর ফের একবার রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। এনকাউন্টারের খবর সামনে আসতেই এলাকায় চাঞ্চল্য চরম আকার ধারণ করেছে।