ফাঁকা বাড়ি একা পেয়ে সর্বনাশ! দশমীর রাতে ১৫ বছরের কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়ে ৭ জনের পাশবিক অত্যাচার!

উৎসবের আনন্দ এবং আলোর রোশনাইয়ের মাঝেই দেশের একপ্রান্তে ঘটে গেল এক নৃশংস ও লমহর্ষক ঘটনা। বাবা-মায়ের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে ফাঁকা বাড়িতে একা থাকা ১৫ বছরের এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে গিয়ে রাতভর গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল একদল যুবকের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যেই মূল অভিযুক্তসহ মোট সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে, যার মধ্যে তিনজন নাবালক রয়েছে।
সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে তেলেঙ্গানার সিদ্দিপেটে। পুলিশ জানিয়েছে, উৎসবের মরশুমে যখন চারদিক ব্যস্ততায় মোড়া, সেই সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগ নেয় অভিযুক্তরা। অভিযোগ, রাতে ওই কিশোরীকে জোর করে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায় একদল যুবক। এরপর সারারাত ধরে তার ওপর চলে অকথ্য শারীরিক নির্যাতন ও পাশবিক অত্যাচার। পরবর্তীতে নির্যাতিতাকে ভয় দেখিয়ে এবং হুমকি দিয়ে ভোরে গ্রামের কাছেই ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা।
ঘটনার পরই চরম আতঙ্ক ও ট্রমার মধ্যে থাকা কিশোরী পরিবারকে সমস্ত ঘটনা খুলে বলে। এরপর পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সুনির্দিষ্ট অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরই দ্রুত নড়েচড়ে বসে পুলিশ। তথ্যপ্রযুক্তি ও স্থানীয় সোর্স মারফত তল্লাশি চালিয়ে এই ঘটনায় জড়িত মোট সাতজন অভিযুক্তকে পাকড়াও করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে তিনজন অপ্রাপ্তবয়স্ক বা নাবালক বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।
উৎসবের আবহে এক নাবালিকার ওপর এমন পৈশাচিক হামলার ঘটনায় সমাজের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে ফের একবার বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তৈরি হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে পকসো (POCSO) আইন সহ কঠোর ধারায় মামলা রুজু করে ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত শুরু হয়েছে।