ঘোষিত হলো মর্যাদাপূর্ণ ডঃ ভূপেন হাজারিকা জাতীয় পুরস্কার! প্রথম প্রাপক হিসেবে ইতিহাস গড়লেন কে?

ভারতীয় সঙ্গীত ও চলচ্চিত্র জগতের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়কে সম্মান জানাতে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হলো অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ ‘ডঃ ভূপেন হাজারিকা জাতীয় পুরস্কার’ (Dr Bhupen Hazarika National Award)। সুমধুর কণ্ঠ দিয়ে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করা কিংবদন্তী ও সুরসম্রাজ্ঞী লতা মঙ্গেশকর এই সম্মানের প্রথম প্রাপক হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর এই অর্জন গোটা দেশের শিল্প ও সংস্কৃতি জগতকে ফের এক গর্বিত মুহূর্তে এনে দাঁড় করাল।

পুরস্কারের নেপথ্য ভাবনা ও বিশেষত্ব

ভারতীয় সঙ্গীত, চলচ্চিত্র এবং শিল্প-সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রেখেছেন এমন দিকপালদের স্বীকৃতি দিতেই এই বিশেষ পুরস্কারের প্রবর্তন করা হয়েছে। এই পুরস্কারের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ও বিশেষত্বগুলি হলো:

  • সম্মাননা ও নগদ অর্থ: এই পুরস্কারের সঙ্গে বিজয়ীর হাতে তুলে দেওয়া হবে ১০ লক্ষ টাকার নগদ অর্থ এবং একটি মানপত্র বা প্রশংসাপত্র।

  • প্রদানের মেয়াদ: পুরস্কারটি প্রতি তিন বছর অন্তর প্রদান করা হবে, যা এর গুরুত্ব ও মর্যাদাকে আরও বাড়িয়ে তোলে।

  • প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে সম্মান: দেশের প্রধানমন্ত্রী স্বয়ং বিজয়ী ব্যক্তিত্বের হাতে এই জাতীয় পুরস্কার তুলে দেবেন।

কারা পাবেন এই সম্মান?

এই পুরস্কারের পরিধি কেবল গায়ক বা অভিনেতাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়নি। এর আওতায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন— প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী, গীতিকার, সুরকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, পরিচালক এবং অভিনয়ে বিশেষ অবদান রাখা দক্ষ শিল্পীরা। অর্থাৎ, সুর সৃষ্টি থেকে শুরু করে চলচ্চিত্র প্রযোজনা এবং অভিনয়— শিল্পের প্রতিটি ক্ষেত্রে যাঁরা নিজেদের মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন, তাঁরা প্রত্যেকেই এই সম্মানের যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন।

সংগীত জগতের জীবন্ত কিংবদন্তী লতা মঙ্গেশকরকে প্রথম প্রাপক হিসেবে ঘোষণা করার পর থেকেই সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে শুরু হয়েছে প্রশংসার জোয়ার। দেশের সাংস্কৃতিক মহলে এই ঘোষণা এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।