“জনি জনি হ্যাঁ পাপা, এসআইআর না পাপা!” ছড়ায় ছড়ায় জ্ঞানেশ কুমারকে তুলোধোনা মমতার

🔹 Bengali Version:

১. “জনি জনি হ্যাঁ পাপা, এসআইআর না পাপা!” ছড়ায় ছড়ায় জ্ঞানেশ কুমারকে তুলোধোনা মমতার

২. মোদী সরকার হঠাও, গণতন্ত্র বাঁচাও! ছড়া কেটে নির্বাচন কমিশনকে তীব্র কটাক্ষ পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর

৩. সুপ্রিয়া সুলের টাইমলাইনে ভাইরাল মমতার ব্যঙ্গাত্মক ছড়া! ভোট চুরি নিয়ে সরগরম জাতীয় রাজনীতি

ভোটার তালিকার বিতর্কিত ‘বিশেষ তীব্র সংশোধন’ (SIR) প্রক্রিয়া এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল জাতীয় রাজনীতির মধ্যেই এক অভিনব ও রাজনৈতিকভাবে বিস্ফোরক কায়দায় মোদী সরকারকে নিশানা করলেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনপ্রিয় ছোটদের ছড়া “জনি জনি ইয়েস পাপা”-কে নিজের মতো করে প্যারোডি বা রূপান্তর করে নির্বাচন কমিশন ও বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এক হাত নিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এই ছড়ার ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ শেয়ার করেছেন এনসিপি (শরদচন্দ্র পাওয়ার) সাংসদ সুপ্রিয়া সুলে, যা মুহূর্তের মধ্যে রাজনৈতিক মহলে চরম শোরগোল ফেলে দিয়েছে।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ব্যঙ্গাত্মক প্যারোডি ছড়ায় সরাসরি উঠে এসেছে বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। ছড়ার সুরে সুর মিলিয়ে তিনি বলেছেন— “জনি জনি, ইয়েস পাপা; এসআইআর? নো পাপা; ইস্তফা? ইয়েস পাপা; হটাও? ইয়েস পাপা; গ্রেপ্তারী? ইয়েস পাপা; গণতন্ত্র বাঁচানো? ইয়েস পাপা; ভারত বাঁচানো? ইয়েস পাপা; জ্ঞানেশ কুমার? নো পাপা; বিজেপি সরকার? নো পাপা!” এই মজার ছড়ার ছলে মমতা অত্যন্ত তীক্ষ্ণ ভাষায় এসআইআর প্রক্রিয়া, সিইসি-র ভূমিকা এবং কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির কড়া সমালোচনা করেছেন। সুপ্রিয়া সুলে ভিডিওটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লিখেছেন, “মমতা দিদি সবসময়কার মতো অনবদ্য! একটু হাসির মোড়কে খুব গভীর একটি বার্তা—গণতন্ত্র বাঁচাও, ভারত বাঁচাও।”

এদিকে, ভোটার তালিকায় অনিয়ম ও ভোট চুরির অভিযোগ তুলে এর আগেই ‘ইন্ডিয়া’ (INDIA) জোটের শীর্ষ নেতারা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে চার দফা সম্বলিত একটি স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী নেতারা রাষ্ট্রপতির কাছে এই জালিয়াতির অকাট্য প্রমাণ পেশ করেছেন। অন্যদিকে, আজ দিল্লির যন্তর মন্তরে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ কর্মসূচি ঘিরে রাজধানীতে নজিরবিহীন কড়া নিরাপত্তা ও ধরপাকড় চলছে। এর আগে গত ৮ অক্টোবর কলকাতা থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে তিনি প্রয়োজনে দিল্লি এসে এই বিক্ষোভে সংহতি জানাতে পারেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মমতার এই ছড়া এবং বিরোধী জোটের আক্রমণ আগামী দিনে জাতীয় রাজনীতিতে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইকে আরও শানিত করবে।