দিল্লি জুড়ে নজিরবিহীন কড়াকড়ি! সিজেপির বিক্ষোভ ও বিরোধী তোপ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য দিলীপ ঘোষের!

এসআইআর (SIR) ইস্যুতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) দিল্লি চলো ও যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের ডাককে কেন্দ্র করে রাজধানীজুড়ে তৈরি হয়েছে চরম উত্তেজনা। বিক্ষোভের আগে নিরাপত্তা জোরদার করতে দিল্লির ৪৫টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখার পাশাপাশি একাধিক ট্রেন বাতিল করা হয়েছে। কার্যত দুর্গতির চেহারা নিয়েছে দিল্লি। অন্যদিকে, গতকালই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ইন্ডিয়া জোটের প্রতিনিধিরা রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে দেখা করে এসআইআর বিষয়ক স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। মহালয়ার সকালে দিল্লির এই রাজনৈতিক ডামাডোল এবং বিরোধীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে এবার কড়া ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানালেন বিজেপির প্রবীণ নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ।
সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচি প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘‘এত কিছু দিক থেকে এই যে আন্দোলন, আজকের জন্য, সেই জায়গা থেকে একদম চারদিকে বন্ধ এবং মব জনতা পার্টি তারা কোনোভাবে ছাড়বে না বলছে, তারা দেখুন, ছেলেমেয়েরা হতাশার শেষ সীমায় পৌঁছে গেছে। তাই যা কিছু করতে পারে, যে কোনও কিছু ঘটনা ঘটতে পারে বলে সরকার সতর্ক হয়েছে। আন্দোলন করতে বাধা নেই কাউকে, সবাই নিজের বক্তব্য রাখতে পারে, গণতান্ত্রিক আন্দোলন হতেই পারে। কিন্তু যেভাবে বিশৃঙ্খলা তৈরি হচ্ছে, সাধারণ মানুষও ভয়ের মধ্যে আছেন, যেন সরকার যাতে সুস্থভাবে এসব প্রোগ্রাম হয়ে যায়, তার জন্য ব্যবস্থা নিয়েছে।’’
পাশাপাশি, গতকাল রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে ইন্ডিয়া জোটের সাক্ষাতের পর রাহুল গান্ধীর করা দাবি ও ভোট চুরির অভিযোগকেও তীব্র কটাক্ষ করেছেন দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেন, ‘‘দেখুন, হাঁটতে হাঁটতে হারাধন হয়ে গেছেন ওনারা। আর কী, ওনারা জিতে আসছিলেন কি ছিল? যেই হাঁটতে আরম্ভ করেছে তখন সব বাতিল করে দাও। এভাবে দেশ চলতে পারে না। ওনারা ভাবছে অন্যান্য দেশে যেরকম একটা উৎপাত করে সরকার পাল্টে দেওয়ার চেষ্টা করছে, ভারতবর্ষকে না জেনে আজকে দায়ী করেছেন। ভারতের লোক ওদেরকেই পাল্টে দেবেন। ভারতের পরম্পরা, সংস্কৃতি, গণতন্ত্র আমাদের রক্তে আছে। এখানকার মানুষকে ভড়কে দিয়ে কেউ কিছু করতে পারে না।’’