নন্দীগ্রামে জিতল না দল, তবুও গর্বিত অধীর! কোন ‘নৈতিক জয়ে’ বুঁদ কংগ্রেস?

নাটকীয় উপনির্বাচনের সাক্ষী থাকল বাংলা। ভোটের দিন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের রাজনীতিতে চলেছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা—কখনও দুই তৃণমূল প্রার্থীর প্রতীক নিয়ে জট, আবার কখনও কংগ্রেস প্রার্থীর ২৭ বছরের পুরনো মামলায় গ্রেফতারি! বঙ্গবাসীর নজর কাড়া এই হাই-ভোল্টেজ নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ্যে আসতেই দেখা গেল এক অভাবনীয় চমক। গেরুয়া ঝড়ের মাঝেও কংগ্রেস প্রার্থীর দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসা রাজনৈতিক মহলে এক বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই ফলাফলেই আক্ষরিক অর্থেই ‘নৈতিক জয়’ দেখছেন প্রদেশ কংগ্রেসের পোড়খাওয়া নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী।
এ দিন ভোটের ফল সামনে আসতেই ক্ষোভ ও উল্লাসের মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তিনি বলেন, “ভোটের নামে আসলে সন্ত্রাস হয়েছে। সরাসরি রক্ত ঝরেনি হয়তো, কিন্তু একেবারে চুপচাপ সন্ত্রাস চলেছে। গণতন্ত্র বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই। নন্দীগ্রামে ভোটের নামে কার্যত প্রহসন চালানো হয়েছে।”
উল্লেখ্য, ভোটের ঠিক আগে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেফতারি নিয়ে শুরু থেকেই সরব ছিল হাত শিবির। এ দিন সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে অধীর রঞ্জন চৌধুরী আরও তীব্র আক্রমণ শানান। তাঁর মন্তব্য, “আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে এবং সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে আমাদের প্রার্থী মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তা সত্ত্বেও নন্দীগ্রামের মানুষ তাঁর ওপর ভরসা রেখেছেন এবং তিনি দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন। প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের এই ফলকে আমরা নৈতিক জয় বলেই মনে করি।”