নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগতেই পালটা কড়া জবাব! সাগরিকা ঘোষ বনাম সিইও অফিসের সংঘাতে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি

সাগরিকা ঘোষের বক্তব্যকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর, পালটা যুক্তি তৃণমূল সাংসদের

রাজ্যের ভোটার তালিকা সংক্রান্ত এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়া এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশিকা ঘিরে জাতীয় রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক দানা বেঁধেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যসভার সাংসদ সাগরিকা ঘোষের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টকে সরাসরি ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে দাগিয়ে দিল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO West Bengal) দফতর। আর এই পালটা পদক্ষেপের পরই দুপক্ষের মধ্যে মতের সংঘাত প্রকাশ্যে চলে এসেছে।

ঘটনার সূত্রপাত ‘এক দেশ এক ভোট’ সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির (JPC) একটি বৈঠককে কেন্দ্র করে। ওই বৈঠকে নির্দিষ্ট কিছু সাংবাদিককে আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে প্রশ্ন তুলে সরব হয়েছিলেন সাংসদ সাগরিকা ঘোষ। পাশাপাশি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া এবং বিশেষ নথিভুক্তি সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও তিনি এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করেন। সেই পোস্টকে উদ্ধৃত করেই রাজ্যের সিইও অফিস থেকে জানানো হয় যে, ওই বক্তব্য বিভ্রান্তিকর এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট নির্দেশিকা মেনে সমস্ত প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।

তবে নির্বাচন কমিশনের এই দাবির পরেই চুপ থাকেননি সাংসদ। সাগরিকা ঘোষ পালটা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন যে, নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব নির্দেশিকাতেই যেখানে ভোটারদের নাম তোলার কথা বলা হয়েছে, তবে কেন সেই বিশেষ এনরোলমেন্ট ড্রাইভ ভোটের পরে করা হচ্ছে? কমিশনের উচিত এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর দেওয়া, তাঁর পোস্টকে বিভ্রান্তিকর না বলে। সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে শাসক দলের এই প্রকাশ্য বাকযুদ্ধ এখন তুঙ্গে।