পাহাড়ে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ! সিকিম ও বাংলার সম্পর্ক নিয়ে বিস্ফোরক দাবি বিমল গুরুংয়ের

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী থাকার সময় নানা রাজনৈতিক জটিলতায় পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিমের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের চরম অবনতি হয়েছিল—এমনই চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার (GJM) প্রধান বিমল গুরুং।

মোর্চার ২০তম প্রতিষ্ঠা দিবসকে কেন্দ্র করে পাহাড়ের রাজনৈতিক বাতাসে এখন নতুন সমীকরণের গন্ধ। বুধবার জিজেএম-এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আগে মঙ্গলবার মোর্চা সভাপতি হিসেবে বিমল গুরুং এক বড় ঘোষণা করেন। তিনি জানান, ঐতিহ্যবাহী সিঙ্গামারি নর্থ পয়েন্ট স্কুল ময়দানে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাংকে (গোলে) এক মঞ্চে সংবর্ধনা দেওয়া হবে।

কী বলছেন বিমল গুরুং?

দুই প্রতিবেশী রাজ্যের মধ্যকার সম্পর্কের যে বরফ জমেছিল, মোর্চার প্রতিষ্ঠা দিবসের মঞ্চকে কাজে লাগিয়ে তা গলাতে চান বিমল গুরুং। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনকালে সিকিমের সঙ্গে আমাদের রাজ্যের সম্পর্ক মোটেই ভালো ছিল না। সিকিম কিংবা বাংলার যেকোনো সমস্যাতেই সবচেয়ে বেশি ভোগান্তি পোহাতে হয়েছে সিকিমের সাধারণ মানুষকে। কিন্তু এখন পরিস্থিতিতে পরিবর্তন এসেছে।”

শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষ সম্মান ও পুরনো স্মৃতিকথন

বিজেপির জোটসঙ্গী হিসেবে পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্সের স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধানের দিকে নজর দিচ্ছেন গুরুং। অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারীকে বিশেষ সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “শুভেন্দু অধিকারী একজন অত্যন্ত লড়াকু নেতা। দীর্ঘ সংগ্রামের পথ পেরিয়ে তিনি আজ পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী পদে আসীন হয়েছেন। তৃণমূলের শাসনকালে যখন আমার ওপর দিয়ে একের পর এক ঝড় গিয়েছে, সেই কঠিন সময়ে