বিগ বস ২০ থেকে বিদায় নিতেই বিস্ফোরক রীতি! সৎ বাবার বিরুদ্ধে তুললেন মারাত্মক আইনি পদক্ষেপের কথা!

রাজনীতিবিদ ও জনপ্রিয় অভিনেতা-গায়ক মনোজ তিওয়ারির কন্যা রীতি তিওয়ারি সম্প্রতি ‘বিগ বস ২০’র ঘর থেকে অপ্রত্যাশিতভাবে বিদায় নিয়েছেন। সপ্তাহের মাঝপথেই মাহি ভিজ, ইয়ং ডিএসএ এবং উদিতি সিং-এর যৌথ ভোটে শো থেকে তাঁকে ইভিক্ট করা হয়। তবে শো থেকে বেরিয়ে আসার পর থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া ও সাক্ষাৎকারে একের পর এক বিস্ফোরক মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে উঠে আসছেন রীতি। বিশেষ করে পাঞ্জাবি গায়ক একম বাওয়া, যিনি নিজেকে রীতির সৎ বাবা বলে দাবি করেছেন, তাঁর করা একাধিক গুরুতর অভিযোগের কড়া জবাব দিয়েছেন রীতি। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রীতি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, ওই গায়ক শুধুমাত্র প্রচারের আলো ও সস্তার জনপ্রিয়তা পাওয়ার জন্যই এই ধরনের ভিত্তিহীন অভিযোগ তুলছেন এবং এই বিষয়ে ইতিমধ্যে যথাযথ আইনি পদক্ষেপও গ্রহণ করা হয়েছে।

টাইমস নাও-কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে রীতি তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে জানান, “প্রথমত, এই ধরনের কথাগুলো অত্যন্ত সুবিধাজনক সময়ে এবং খুব হালকাভাবে বলা হয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে যখন আমি বিগ বস ঘরের ভেতরে আটকে ছিলাম এবং নিজের পক্ষে সাফাই গাওয়ার বা জবাব দেওয়ার বিন্দুমাত্র সুযোগ আমার ছিল না। এই লোকটির জন্য সময়টা দারুণ সুবিধাজনক ছিল।” রীতি আরও স্পষ্ট ভাষায় বলেন যে, এই ব্যক্তি নিজের প্রয়োজনীয় দুই-তিন দিনের খ্যাতি ও মিডিয়ার ফোকাস বা ফুটেজ সম্পূর্ণভাবে হাসিল করে নিয়েছে। আর তাই তিনি এই অনাবশ্যক বিষয়টিকে নিয়ে আর জলঘোলা করতে নারাজ। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, রীতিনীতি মেনে ইতিমধ্যে আইনি নোটিশ ও প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ শুরু হয়ে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, রীতি তিওয়ারি ও তাঁর মা রানি তিওয়ারির বিরুদ্ধে একের পর এক গুরুতর হয়রানির অভিযোগ তুলেছিলেন একম বাওয়া। ওই পাঞ্জাবি গায়কের বিস্ফোরক দাবি ছিল যে, তিনি ২০২০ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত মা ও মেয়ের সঙ্গে একই ফ্ল্যাটে বসবাস করতেন। এমনকি ২০২০ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত তিনি রানি তিওয়ারির সঙ্গে লিভ-ইন সম্পর্কেও ছিলেন বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেন একম। তাঁর আরও দাবি ছিল যে, পরবর্তীতে ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি রীতির মাকে আইনসম্মতভাবে বিয়ে করেন। কিন্তু বিগ বস হাউসের ভেতরে কাজীর প্রতি রীতির আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে একম বাওয়া সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করে তীব্র লজ্জা ও অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন। এখন দেখার বিষয়, আইনি লড়াইয়ের এই জটিল আবহে জল কতদূর গড়ায়।