এক ধাক্কায় বাদ ১৫ লক্ষ নাম! আপনার অ্যাকাউন্টে কি ঢুকবে ‘কৃষক বন্ধু’র টাকা? জেনে নিন বড় আপডেট

কৃষক বন্ধু এবং বাংলা শস্য বিমা প্রকল্পের কার্যকারিতায় বড় ধরনের গরমিল ধরা পড়ার পর এক ধাক্কায় প্রায় ১৫ লক্ষ অযোগ্য উপভোক্তার নাম তালিকা থেকে বাদ দিল রাজ্য সরকার। কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডলের কড়া নির্দেশেই এই ব্যাপক যাচাইকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে এই ছাঁটাই প্রক্রিয়ার মাঝেই যোগ্য কৃষকদের জন্য রয়েছে খুশির খবর—পুজোর আগেই কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা দেওয়ার জোর প্রস্তুতি চলছে।
তালিকায় কেন ধরা পড়ল এত গরমিল?
রাজ্যের কৃষি দফতরের দায়িত্ব নেওয়ার পরেই কৃষক বন্ধু ও বাংলা শস্য বিমা প্রকল্পের উপভোক্তাদের তালিকা খুঁটিয়ে যাচাই করার নির্দেশ দিয়েছিলেন কৃষিমন্ত্রী দুধকুমার মণ্ডল। এরপরই একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতে শুরু করে।
অকৃষকদের সুবিধা গ্রহণ: তদন্তে দেখা গিয়েছে, এতদিন বহু অকৃষক ও সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবীরাও এই প্রকল্পের সুবিধা নিচ্ছিলেন।
একই পরিবারের একাধিক সদস্য: কিছু ক্ষেত্রে একই পরিবারের একাধিক সদস্য আলাদাভাবে এই প্রকল্পের টাকা তুলছিলেন।
জমি বিক্রির পরও অনুদান: অনেকের জমি বিক্রি হয়ে যাওয়ার পরেও নিয়মবহির্ভূতভাবে প্রকল্পের সুবিধা বজায় ছিল।
এই ধরনের সমস্ত গরমিল ও দুর্নীতির তথ্য সামনে আসার পরই তালিকা থেকে অবিলম্বে অযোগ্যদের নাম বাদ দেওয়ার কাজ শুরু হয়। নবান্নের কড়া নির্দেশ মতো প্রায় ১৫ লক্ষ ভুয়া বা অযোগ্য নাম তালিকা থেকে বাতিল করা হয়েছে।
কবে মিলবে কৃষক বন্ধু প্রকল্পের টাকা?
একাধিক ভুয়া উপভোক্তার নাম বাদ পড়ার ফলে সরকারি কোষাগারের সঠিক অর্থ এখন প্রকৃত ও যোগ্য কৃষকদের কাছে পৌঁছানো নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি, আসন্ন দুর্গোৎসবের আগেই যোগ্য কৃষকদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে কৃষক বন্ধু যোজনার টাকা পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। যদিও এই বিষয়ে এখনও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে কোনো চূড়ান্ত দিনক্ষণ ঘোষণা করে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি, তবে পুজোর আগেই কৃষকদের হাতে টাকা পৌঁছাতে পারে বলে জোরালো সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।