ডায়েট করলেই কি বারবার খিদে পায়? ওজন কমাতে এই জাদুকরী খাবারগুলি আজই রাখুন পাতে!

আজকাল ওজন বেড়ে যাওয়া অধিকাংশ মানুষের জন্যই একটি সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও সুষম জীবনধারা মেনে চললে সহজেই ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। পুষ্টিবিদ ডঃ সুচরিতা সেনগুপ্তের মতে, কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার খিদে কমিয়ে, বিপাকক্রিয়া বা মেটাবলিজম ত্বরান্বিত করে এবং শরীরে প্রয়োজনীয় পুষ্টি জোগানোর মাধ্যমে ওজন নিয়ন্ত্রণে দারুণ সহায়তা করতে পারে।

ওজন কমানোর এই প্রক্রিয়ায় খাদ্যতালিকায় ওটস অত্যন্ত উপকারী। ওটস প্রচুর পরিমাণে ফাইবারসমৃদ্ধ হওয়ায় এটি খেলে দীর্ঘ সময় পেট ভরা অনুভূত হয় এবং অস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে। এর পাশাপাশি পালং শাক, মেথি শাকের মতো সবুজ শাকসবজিতে ক্যালোরি কম থাকলেও প্রচুর পুষ্টি উপাদান থাকে। প্রোটিন ও প্রোবায়োটিকসমৃদ্ধ দই হজমশক্তি উন্নত করার পাশাপাশি বিপাকক্রিয়া বাড়াতে সাহায্য করে। প্রোটিনের চমৎকার উৎস হিসেবে ব্রেকফাস্টে ডিম রাখতে পারেন, যা দীর্ঘ সময় ক্ষুধা পেতে দেয় না এবং শরীরকে শক্তি জোগায়।

এছাড়াও, আমন্ড বা কাঠবাদামে থাকা স্বাস্থ্যকর ফ্যাট ও প্রোটিন খিদে কমাতে সাহায্য করে। ফাইবার ও জলে ভরপুর আপেল বা শসা দ্রুত পেট ভরাতে এবং শরীরকে আর্দ্র রাখতে দারুণ কার্যকরী। মুসুর ডাল প্রোটিন ও ফাইবারের জোগান দিয়ে দীর্ঘস্থায়ী শক্তি বজায় রাখে। গ্রিন টি-র অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট শরীরের চর্বি পোড়ানোর প্রক্রিয়া দ্রুত করে। পাশাপাশি, ছোলা-মুগ স্যালাড কিংবা এক গ্লাস ছাতুর শরবত অনেকক্ষণ পেট ভর্তি রাখতে এবং ডায়েটের যাত্রাকে সহজ করতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে।

Aditi Banik
  • Aditi Banik