গ্রেফতারের পরেই একের পর এক মামলা! রক্ষাকবচ চেয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী

আসন্ন উপনির্বাচনের আগে রাজনৈতিক ও আইনি লড়াইয়ে চরম উত্তেজনা ছড়াল নন্দীগ্রামে। আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এই আবহে গ্রেফতারির পর থেকেই একের পর এক নতুন মামলা চাপানোর গুরুতর অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। হাইকোর্টের বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের বেঞ্চে তিনি রক্ষাকবচের আর্জি জানিয়েছেন এবং মঙ্গলবার এই মামলার শুনানির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে।

গত শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর চণ্ডীপুর থানার পুলিশ মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করে। পুলিশের দাবি, ২০০৭ সালের একাধিক মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে জামিন-অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল এবং তিনি পলাতক ছিলেন। আদালতের সেই পরোয়ানা মেনেই নির্বাচন কমিশনের বিশেষ অভিযان চলাকালীন তাঁকে পাকড়াও করা হয়। এরপর থেকেই কংগ্রেস প্রার্থীর পক্ষ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে যে, একটি মামলায় গ্রেফতার করার পর তাঁর ঘাড়ে সুপরিকল্পিতভাবে আরও পাঁচটি নতুন মামলা চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।

মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ রয়েছে? পুলিশ সূত্রে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, কংগ্রেস প্রার্থীর বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র-সহ হিংসা ও অশান্তি ছড়ানোর মতো একাধিক গুরুতর ধারায় মামলা ঝুলছে। ২০০৭ সাল থেকে পলাতক থাকায় সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে তাঁকে চার্জশিটেও পলাতক হিসেবে দেখানো হয়েছিল।

ভোটের প্রাক্কালে প্রার্থীর এমন আইনি জট এবং গ্রেফতারির ঘটনা রাজনৈতিক মহলে বড়সড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। একদিকে যখন ৬ অক্টোবরের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রচারের ময়দান গরম, ঠিক তখনই উচ্চ আদালতে মিলন প্রধান রক্ষাকবচ পান কি না, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।