মোদীঝির হুঙ্কারে কাঁপল ব্রিকস মঞ্চ! খনিজ থেকে প্রযুক্তি—বিশ্বকে বাঁচাতে ঐতিহাসিক ডাক ভারতের

আজ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও কূটনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ খবরের মধ্য দিয়ে রবিবার সকাল শুরু হয়েছে। একদিকে যেমন নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক ভারত মণ্ডপমে শুরু হয়েছে বিশ্বমঞ্চের অন্যতম প্রভাবশালী মেগা ইভেন্ট ব্রিকস সম্মেলনের শেষ দিনের অধিবেশন, অন্যদিকে রাজ্য রাজনীতি থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জনজীবন—সবক্ষেত্রেই নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা প্রবাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক কূটনীতি থেকে শুরু করে স্থানীয় প্রশাসন ও রাজনৈতিক অঙ্গন—আজকের খবরের শিরোনামে রয়েছে একাধিক চাঞ্চল্যকর ও নজরকাড়া আপডেট।

আজ ব্রিকস সম্মেলনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অন্তিম পর্বের সূচনা হয়েছে। রবিবার নির্ধারিত সূচি মেনেই ভারতের রাজধানী দিল্লির আধুনিক ভারত মণ্ডপমে শুরু হয়েছে এই বিশ্বমানের সম্মেলন। এদিন অধিবেশনের শুরুতেই সমস্ত সদস্য দেশের রাষ্ট্রনেতারা একত্রিত হয়ে একটি ঐতিহ্যবাহী যৌথ ফটোসেশনে অংশ নেন। এরপর শুরু হয় মূল দফার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা। সম্মেলনের প্রথম দিনেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অত্যন্ত জোরালোভাবে খনিজ সম্পদ ও প্রযুক্তির ‘অস্ত্রীকরণ’ রোধ করার কড়া বার্তা দিয়ে গোটা বিশ্বের নজর কেড়ে নিয়েছিলেন। আজকের শেষ দিনেও গ্লোবাল সাউথের অধিকার, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং বিশ্ব নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী এজেন্ডার দিকে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ ও সংবাদ মাধ্যমের নজর সম্পূর্ণভাবে নিবদ্ধ রয়েছে।

অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মঞ্চের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য রাজনীতিতেও আজ সকাল থেকে চরম উত্তাপ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রবিবার সকালেই তাঁর নির্দিষ্ট গন্তব্য ও বাসভবন সংক্রান্ত কার্যক্রমে ব্যস্ত ছিলেন এবং দুপুরের পর তাঁর কোলাঘাট যাত্রার বিশেষ কর্মসূচি রয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, সাপ্তাহিক ছুটির দিনেও তাঁর এই ব্যস্ত রাজনৈতিক সফর এবং সুনির্দিষ্ট কর্মসূচিকে ঘিরে তীব্র গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। ছুটির আমেজেও রাজ্য রাজনীতিতে ক্ষমতার অঙ্ক ও প্রতিদ্বন্দিতায় কোনো বিরতি নেই, যা প্রতিনিয়ত নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

পাশাপাশি, সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত ও সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে স্থানীয় প্রশাসন ও ট্রাফিক বিভাগের পক্ষ থেকে অত্যন্ত কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে। রক্ষণাবেক্ষণের জরুরি কাজের জন্য আজ সকাল ছটা থেকে সকাল দশটা পর্যন্ত দীর্ঘ চার ঘণ্টা সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে ব্যস্ততম দ্বিতীয় হুগলি সেতু যান চলাচল। এই আকস্মিক ও প্রয়োজনীয় নিষেধাজ্ঞার ফলে কলকাতার সঙ্গে হাওড়ার যোগাযোগ রক্ষাকারী এই গুরুত্বপূর্ণ সেতুর ওপর যানবাহনের চাপ সামলাতে শহরের একাধিক প্রধান রুটে ট্রাফিক ডাইভারশন করা হয়েছে। সেতু বন্ধ থাকাকালীন নিত্যযাত্রী ও ছোট গাড়ি চালকদের চরম দুর্ভোগ এড়াতে বিকল্প হিসেবে প্রধানত ঐতিহাসিক হাওড়া ব্রিজ দিয়েই সমস্ত বাস ও হালকা যান চলাচল নিয়ন্ত্রিত করা হচ্ছে। সবমিলিয়ে, আন্তর্জাতিক কূটনীতি, রাজ্য রাজনীতি এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াতের এই ত্রিমুখী খবরে আজ রবিবার সকাল থেকেই সরগরম গোটা রাজ্য।