যাদবপুরে এবার ধুন্ধুমার! ক্যাম্পাসে গিয়ে গীতা ও হনুমান চালিশা পাঠ করার চরম হুঁশিয়ারি শুভেন্দু অধিকারীর

কিছুদিন আগেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে দাঁড়িয়ে ‘বন্দে মাতরম’-এ গলা মেলানোর পর এবার আরও এক বিস্ফোরক ঘোষণা করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, গেরুয়া শিবির বা সনাতন সংস্কৃতিকে যারা অপমান করছে, তাদের কড়া জবাব দিতে খুব শীঘ্রই যাদবপুরে গিয়ে গীতা এবং হনুমান চালিশা পাঠ করবেন তিনি।

যাদবপুরের সাম্প্রতিক এক জনসভা থেকে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “গেরুয়ার অপমান আমরা সহ্য করব না, পরিষ্কার বার্তা দিয়ে গেলাম।” পাশাপাশি রাজ্যের শাসকদল ও বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের একাংশের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি বলেন, কিষেণজিকে রেড স্যালুট বা ‘কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি’ স্লোগান দেওয়ার সংস্কৃতিকে কীভাবে সাফ করতে হয়, তা তাঁর জানা আছে।

সনাতন সংস্কৃতি পরিষদের ডাকে আগামী দিনে দু’বার যাদবপুরে আসার ঘোষণা করে তিনি জানান, একবার গীতা পাঠ এবং একবার হনুমান চালিশা পাঠ করতে তিনি ওই চত্বরে আসবেন। দেশের অভ্যন্তরে থেকে যারা দেশ ও গেরুয়া রংকে অপমান করছে, তাদের শিক্ষা দেওয়াই এর মূল লক্ষ্য।

একই সঙ্গে উচ্চশিক্ষা দফতরের কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়ে তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলির শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের ট্রান্সফারের নীতি চালু করতে চলেছে উচ্চশিক্ষা দফতর। মন্ত্রিসভায় এই সংক্রান্ত ঐতিহাসিক বিল অনুমোদিত হওয়ার পর রাজ্যপালও তাতে সম্মতি দিয়েছেন এবং কালই তা বিধানসভায় পেশ করা হবে। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে ‘সেন্টার অফ এক্সিলেন্স’ এবং ঋষি অরবিন্দর ভূমি উল্লেখ করে তিনি স্পষ্ট বার্তা দেন যে, রাষ্ট্রবিরোধীদের শিকড় থেকে উপড়ে ফেলা হবে।

উল্লেখ্য, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে অতীতেও জাতীয় পতাকা উত্তোলন বা ‘বন্দে মাতরম’ গাইতে বাধা দেওয়ার মতো অভিযোগ তুলে সোচ্চার হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। যাদবপুর ক্যাম্পাসে পূর্ণাঙ্গ জাতীয়তাবাদ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা না হওয়া পর্যন্ত তিনি লড়াই চালিয়ে যাবেন বলেই হুঙ্কার দিয়েছেন।