লিভ-ইন পার্টনারকে পিটিয়ে খুনের অপরাধ! ঠিক যেখান খুন, সেখানেই অভিযুক্তকে গাড়িতে বেঁধে বেধড়ক মার পুলিশের

লিভ-ইন পার্টনারকে রাস্তায় ফেলে নির্মমভাবে পিটিয়ে খুনের অভিযোগে উত্তপ্ত গুজরাতের ভাবনগর। অভিযুক্ত ফয়জল লাখানিকে শনিবার ঠিক যে বাসস্ট্যান্ডের সামনে তরুণী কাজল বারাইয়াকে হত্যা করা হয়েছিল, সেখানেই পুনর্নির্মাণের জন্য নিয়ে যায় পুলিশ। আর সেখানেই জনসমক্ষে ওই যুবককে গাড়িতে হাত বেঁধে বেধড়ক লাঠিপেটা করা হয়, যার ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়েছে।
ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ফয়জলের নির্মম প্রহারে গুরুতর জখম কাজল বারাইয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পর পুলিশের পক্ষ থেকে অপরাধের পুনর্নির্মাণ করা হলেও, যেভাবে তাকে প্রকাশ্য রাস্তায় দড়ি দিয়ে বেঁধে লাঠি দিয়ে মারধর করা হয়েছে, তা নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া এই ভিডিও দেখে অনেকে একে তালিবানি সংস্কৃতির সঙ্গে তুলনা করেছেন, আবার কেউ কেউ অপরাধীদের বিরুদ্ধে এমন কঠোর পদক্ষেপকে সমর্থনও জানিয়েছেন।
স্থানীয় নীলমবাগ থানার ইন্সপেক্টর ডিপি উনাদকাট জানান, প্রকাশ্যে এই ধরনের মারধর পুলিশের ভাবমূর্তিকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং সাধারণ মানুষের আস্থা টলিয়ে দিয়েছে। তবে দুষ্কৃতীদের মনে কঠোর বার্তা পাঠানোও এই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি। পুলিশ বাহিনীর একাংশ একে ‘বিরলতম’ ঘটনা হিসেবে দেখলেও, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলার ভূমিকা নিয়ে দেশজুড়ে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।