কম দামেই বাজিমাত করতে চলেছে বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ড! অ্যামাজন টিজারে ফাঁস হওয়া দুর্দান্ত ফিচার দেখে হুড়মুড়িয়ে ভিড় করবেন ক্রেতারা!

স্মার্টফোন প্রেমীদের জন্য এক বিরাট এবং রোমাঞ্চকর খবর নিয়ে হাজির হয়েছে নামী ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড ফিলিপস। অ্যামাজনের একটি এক্সক্লুসিভ মাইক্রোসাইট টিজার থেকে জানা গেছে যে, অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক বাজেট স্মার্টফোনের বাজারে নিজেদের নতুন ৫জি (5G) হ্যান্ডসেট নিয়ে খুব শীঘ্রই আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে এই সংস্থা। যদিও কোম্পানির পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত ফোনটির আনুষ্ঠানিক নাম, সঠিক লঞ্চের তারিখ কিংবা সুনির্দিষ্ট মূল্য ঘোষণা করা হয়নি, তবে এর লিক হওয়া চোখ ধাঁধানো স্পেসিফিকেশন ইতিমধ্যেই প্রযুক্তি দুনিয়ায় ব্যাপক শোরগোল ফেলে দিয়েছে। কম বাজেটের মধ্যে প্রিমিয়াম ফিচারের ছোঁয়া পেতে চলা এই ফোনটি নিয়ে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কৌতূহল এখন তুঙ্গে। অ্যামাজনের ওই টিজার অনুযায়ী, ফিলিপসের আসন্ন এই নতুন স্মার্টফোনে ব্যবহার করা হয়েছে একটি আকর্ষণীয় ৬.৬৭ ইঞ্চির বড় এইচডি ডিসপ্লে। স্ক্রিনটি নিখুঁত ও মসৃণ করার জন্য দেওয়া হয়েছে ১২০Hz রিফ্রেশ রেটের দুর্দান্ত সাপোর্ট, যার ফলে গেম খেলা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রোলিং করার অভিজ্ঞতা হবে অত্যন্ত ফাস্ট ও ল্যাগ-ফ্রি। বর্তমান প্রজন্মের চাহিদার কথা মাথায় রেখে এতে দেওয়া হয়েছে হাই-স্পিড ৫জি কানেক্টিভিটি। পারফরম্যান্সের দিক থেকেও ডিভাইসটি বেশ শক্তিশালী হতে চলেছে; এটি বাজারে দুটি আলাদা ভ্যারিয়েন্টে উপলব্ধ হবে—একটি 6GB RAM ও 128GB ইন্টারনাল স্টোরেজ এবং অন্যটি 8GB RAM ও 256GB পর্যন্ত শক্তিশালী স্টোরেজ অপশন। ফটোগ্রাফিপ্রেমীদের মন জয় করতে এই ফোনে রাখা হয়েছে অত্যন্ত শক্তিশালী ক্যামেরা সেটআপ। এর arrière বা পিছনের অংশে থাকছে একটি উচ্চমানের ৬৪ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা, যা কম আলোতেও স্পষ্ট ও নিখুঁত ছবি তুলতে সক্ষম। অন্যদিকে, সুন্দর সেলফি ও ঝকঝকে ভিডিও কলের জন্য সামনে দেওয়া হয়েছে একটি ১৬ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা। শুধু ক্যামেরাই নয়, মাল্টিমিডিয়া বা গান শোনার অভিজ্ঞতা দ্বিগুণ করতে এতে ‘আলট্রা ম্যাক্স’ (Ultra Max) ব্র্যান্ডিংযুক্ত শক্তিশালী ডুয়াল স্টিরিও স্পিকার যুক্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি, হঠাৎ বৃষ্টি কিংবা ধুলোবালির হাত থেকে ফোনটিকে সুরক্ষিত রাখতে এতে দেওয়া হয়েছে কার্যকর IP64 ওয়াটার ও ডাস্ট রেজিস্ট্যান্স রেটিং। বাজার বিশেষজ্ঞদের ধারণা অনুযায়ী, সমস্ত আধুনিক ফিচার ও ৫জি প্রযুক্তি থাকা সত্ত্বেও এই ফোনটির দাম কুড়ি হাজার টাকারও কম রাখা হতে পারে। যদি এই সম্ভাব্য দামে ফোনটি সত্যিই বাজারে আসে, তবে তা ভারতীয় বাজেট ও মিড-রেঞ্জ স্মার্টফোনের বাজারে রিয়েলমি, রেডমি, ওয়ানপ্লাস, অপ্পো এবং ভিভোর মতো প্রতিষ্ঠিত ব্র্যান্ডগুলির সামনে এক বিরাট প্রতিদ্বন্দ্বিতার দেওয়াল তুলবে। তবে ইলেকট্রনিক্স বাজারে ফিলিপসের দশকের পর দশক ধরে তৈরি হওয়া গভীর আস্থার জায়গাটি এই নতুন ফোনটিকে কতটা এগিয়ে রাখে এবং শেষ পর্যন্ত সাধারণ মানুষ এটিকে কতটা আপন করে নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।