বিপ্লবী অনন্ত সিংহের জীবনে কি এসেছিল প্রেম? জিতের নতুন ছবি নিয়ে এক্সক্লুসিভ মুখ খুললেন পরিচালক পথিকৃৎ

১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিল। অবিভক্ত বাংলার বিপ্লবের ইতিহাসে এক স্বর্ণোজ্জ্বল দিন। সেদিন ব্রিটিশদের অস্ত্রাগার লুঠ করেছিলেন মাস্টারদা সূর্য সেন ও তাঁর সশস্ত্র বিপ্লবীরা। সেই ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতেই তৈরি হচ্ছে নতুন ছবি, যেখানে বিপ্লবী অনন্ত সিংহের ভূমিকায় বড়পর্দায় ধরা দেবেন প্রযোজক-অভিনেতা জিৎ। আগামী ১৪ অগস্ট মুক্তি পেতে চলা এই ছবি পরিচালনা করছেন পথিকৃৎ বসু। ইতিমধ্যেই জিতের একাধিক লুক এবং ছবির অন্যান্য অভিনেতাদের নাম প্রকাশ্যে আসলেও দর্শকের কৌতূহল সবথেকে বেশি ঘিরে রয়েছে ছবির নতুন নায়িকা দেবোত্তমা সাহাকে।
কে এই দেবোত্তমা সাহা? কীভাবে সুযোগ পেলেন?
মুম্বইয়ের মেয়ে দেবোত্তমা সাহা এই ছবির মাধ্যমে টলিউডে পা রাখতে চলেছেন এবং তিনি সরাসরি জিতের বিপরীতে অভিনয় করছেন। পরিচালক পথিকৃৎ বসুর মতে, তাঁরা শুরুতেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন যে এই চরিত্রের জন্য নতুন কাউকে নেওয়া হবে। সেইমতো দেবোত্তমার পাঠানো অডিশন ক্লিপিং দেখেই পরিচালক ও প্রযোজক তাঁকে চূড়ান্ত করেন।
অনন্ত সিংহের জীবনে ফতিমার ভূমিকা কী?
ইতিহাস বলে, বিপ্লবী অনন্ত সিংহের জীবনে কোনো প্রেমের স্থান ছিল না। তাহলে ছবিতে তাঁর বিপরীতে থাকা ‘ফতিমা’ চরিত্রটি কে?
পরিচালকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অনন্ত সিংহের বিপ্লবাত্মক কাজের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন ফতিমার বাবা। সেই সূত্রেই বিপ্লবীর সঙ্গে পরিচয় হয় ফতিমার। ১৯৩০ সালের সেই উত্তাল সময়ে প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার, কল্পনা দত্ত বা সুহাসিনী গঙ্গোপাধ্যায়ের মতো হাতেগোনা কয়েকজন নারী সরাসরি সশস্ত্র আন্দোলনে যুক্ত থাকলেও, ফতিমা ঠিক কোন ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন, তা নিয়ে এখনই মুখ খুলতে নারাজ পরিচালক। ছবি মুক্তির আগেই চিত্রনাট্যের সাসপেন্স ধরে রাখতে চান তিনি। তবে নতুন এই অভিনেত্রীর অভিনয় ও একাগ্রতা নিয়ে বেজায় খুশি পরিচালক পথিকৃৎ বসু ও প্রযোজক জিৎ উভয়ই।