ফরিদাবাদে ২৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধারের দিনেই লালকেল্লায় বিস্ফোরণ! ঘটনার তদন্তে NIA, NSG ও FSL

রবিবার সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে পুরনো দিল্লির ঐতিহাসিক লাল কেল্লার সামনের ট্র্যাফিক সিগন্যালে একটি আই২০ (i20) গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত অন্তত আট জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের স্থানীয় লোক নায়ক জয় প্রকাশ (LNJP) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
বিস্ফোরণের মুহূর্ত:
দিল্লি পুলিশ কমিশনার জানান, ট্র্যাফিক সিগনালের কাছে ধীর গতিতে চলতে থাকা আই২০ গাড়িটি বিস্ফোরণ হয়। এর তীব্রতা এতটাই ছিল যে পাশের একাধিক গাড়িতে আগুন ধরে যায় এবং লাল কেল্লা মেট্রো স্টেশনের এক নম্বর গেটের কাঁচেও চিড় ধরে। দমকল এসে আগুন নেভায়।
নাশকতার তদন্ত:
পুলিশ এই বিস্ফোরণের সঙ্গে নাশকতার কোনো যোগ আছে কি না, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে এবং UAPA (বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ) আইন জারি করেছে। ঘটনাস্থলে ফরেনসিক দল (FSL), এনআইএ (NIA) এবং ন্যাশনাল সিকিউরিটি গার্ড (NSG) সহ একাধিক তদন্তকারী দলকে দেখা যায়।
বিস্ফোরণের সময় গাড়িতে চালককে দেখা গিয়েছিল বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। গাড়িটি হরিয়ানা রাজ্যের রেজিস্ট্রেশন করা।
অমিত শাহের আশ্বাস:
দিল্লি পুলিশ কমিশনার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ঘটনাটি সম্পর্কে অবহিত করেন, যিনি পরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে পরিস্থিতি জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পরে সাংবাদিকদের বলেন, “সব সম্ভাবনার কথা মাথায় রেখে তদন্ত করা হবে।” তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান এবং হাসপাতালে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন।
প্রসঙ্গত, এদিন সকালেই দিল্লি থেকে অনতিদূরে ফরিদাবাদে ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়। তবে এই দুটি ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র আছে কি না, তা পুলিশ স্পষ্ট করেনি। এই ঘটনার পর কলকাতা, মুম্বই, ব্যাঙ্গালোর, জয়পুর, হরিয়ানা, পঞ্জাব, হায়দ্রাবাদসহ দেশের একাধিক শহরে কড়া নিরাপত্তা জারি করা হয়েছে।