নবমীতে নিম্নচাপের বজ্রআঁটুনি! দশমী-একাদশীতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, উৎসবের মাঝেই কী বার্তা দিল আবহাওয়া দপ্তর?

আজ মহাষষ্ঠী। সপরিবারে পিতৃগৃহে উমার আগমনী। প্রথা ও রীতি মেনে আজ থেকেই শুরু হলো শারদ উৎসবের মূল পর্ব। সকালে বেলুড় মঠে ঘট স্নান করিয়ে পূজার্চনা শুরু হয়েছে। উৎসবের এই পুণ্য মুহূর্তে কলকাতা সহ সারা বাংলার মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমতে শুরু করেছে দর্শনার্থীদের।

পুজোয় পিছু ছাড়ছে না দুর্যোগের ভ্রুকুটি
উৎসবের এই আবহেও খারাপ আবহাওয়ার ভ্রুকুটি পিছু ছাড়ছে না। আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা যাচ্ছে:

স্বস্তি সপ্তমী-অষ্টমীতে: সপ্তমী ও অষ্টমীতে আকাশ কিছুটা শান্ত থাকলেও, পুরোপুরি বৃষ্টিমুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম।

বিপদ নবমীতে: নবমীর দিন থেকেই নিম্নচাপের প্রভাব পড়তে পারে, যা বৃষ্টির দাপট বাড়াবে।

দশমী-একাদশীতে দুর্যোগ: বিজয়া দশমী ও একাদশীতে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে, যা প্রতিমা নিরঞ্জন ও উৎসবের শেষ লগ্নে ভোগান্তি বাড়াতে পারে।

সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারে সংঘাত চরমে: পুলিশের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ
একদিকে যখন উৎসবের সূচনা, অন্যদিকে তখন সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের পুজো ঘিরে পুলিশ-উদ্যোক্তা সংঘাত চরমে। বিজেপি নেতা এবং এই পুজোর অন্যতম উদ্যোক্তা সজল ঘোষ পুলিশের বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন।

‘বহিরাগতদের চক্রান্ত’: সজল ঘোষের দাবি, মণ্ডপের লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো বন্ধ করার জন্য ‘বহিরাগতদের দিয়ে ফোন করিয়ে’ পুলিশের কাছে অভিযোগ জানানো হচ্ছে।

‘পুলিশের অজুহাত’: পুলিশ ‘শব্দ-সমস্যায় অসুস্থরা পড়ছেন’—এই অজুহাতে শো বন্ধ করতে চাইছে বলে দাবি সজলের।

‘পক্ষপাতিত্ব’: সবচেয়ে বড় অভিযোগটি এসেছে পক্ষপাতিত্ব নিয়ে। সজল ঘোষ প্রশ্ন তুলেছেন, “সন্তোষ মিত্র স্কোয়ারে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শোয়ে আপত্তি, অথচ এক তৃণমূল নেতার পুজোয় ৫ মিনিট ধরে লাইভ শো চলছে, তার বেলা?” তিনি সরাসরি পুলিশের বিরুদ্ধে শাসক দলের প্রতি পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন।

সজল ঘোষের এই অভিযোগগুলি রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। সাধারণের নিরাপত্তা বনাম উৎসবের আয়োজনের অধিকার—এই বিতর্কে সংঘাত আপাতত তুঙ্গে।