পাহাড়ের অমৃত ‘ব্যাম্বু চিকেন’! কাঁচা বাঁশের ফ্লেভারে মাতোয়ারা ভোজনরসিকরা

পাহাড়ে বেড়াতে যাওয়া ভোজনরসিকদের কাছে ব্যাম্বু চিকেন এক বিশেষ আকর্ষণ। কাঁচা বাঁশের неповторимый (অনন্য) ফ্লেভার খাদ্য রসিকদের মন জয় করে নেয়। পাহাড়ের মানুষের খাদ্যতালিকায় এটি একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। আসুন জেনে নেওয়া যাক এই সুস্বাদু ব্যাম্বু চিকেন তৈরির প্রণালী:
উপকরণ:
বিশেষ ধরনের কাঁচা বাঁশ
মোরগ: ১ কেজি (দেশি মোরগ হলে স্বাদ বেশি ভালো হয়)
গরমমসলা: ৪০ থেকে ৫০ গ্রাম
রসুন বাটা: ১ চা-চামচ
জুমের কাঁচা মরিচ: ৫০ গ্রাম (স্বাদ অনুযায়ী)
আদা বাটা: ১ চা-চামচ
হলুদ ও লবণ: পরিমাণমতো
কাঁচা পেঁয়াজকুচি: ২ থেকে ৩টি
সাবরাংপাতা: সামান্য (ঐচ্ছিক)
প্রণালি:
১. প্রথমে মোরগের মাংস ভালোভাবে ধুয়ে নিন। দেশি মোরগের মাংস ব্যবহার করলে ব্যাম্বু চিকেনের স্বাদ আরও বেশি আকর্ষণীয় হয়। ব্রয়লার মুরগিতেও এটি তৈরি করা যায়, তবে স্বাদে কিছুটা পার্থক্য থাকে।
২. ধুয়ে নেওয়া মাংসের সাথে গরমমসলা, রসুন বাটা, আদা বাটা, হলুদ এবং লবণ ভালোভাবে মেখে নিন।
৩. মাখানো মসলার সাথে কাঁচা পেঁয়াজকুচি মিশিয়ে মাংসটিকে ২০ মিনিটের জন্য মেরিনেট করতে দিন। এতে মাংসের ভেতরে মসলার ফ্লেভার ভালোভাবে প্রবেশ করবে।
এবার বিশেষ ধরনের কাঁচা বাঁশ নিন। বাঁশের এক মুখ খোলা রেখে মেরিনেট করা মাংস সাবধানে বাঁশের ভেতরে ঢুকিয়ে দিন। মাংস ভালোভাবে ভরা হয়ে গেলে বাঁশের মুখ কলাপাতা দিয়ে ভালো করে বন্ধ করে দিন। খেয়াল রাখবেন, বাঁশের মুখ যেন ভালোভাবে সিল করা থাকে।
৫. এরপর জ্বলন্ত কাঠের আগুনের পাশে মাংস ভরা বাঁশটি রাখুন। বাঁশটিকে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট ধরে আগুনের তাপে রান্না করতে হবে। এ সময় বাঁশের বাইরের দিক হালকা পোড়া পোড়া হয়ে যাবে এবং মাংস ভেতর থেকে সেদ্ধ হবে।
৬. বাঁশ হালকা পোড়া পোড়া হলে আগুন থেকে নামিয়ে নিন। কিছুটা ঠান্ডা হওয়ার পর বাঁশের মুখ খুলে রান্না হওয়া সুগন্ধি মাংস বের করে নিন।
৭. গরম গরম ব্যাম্বু চিকেন পরিবেশন করুন! কাঁচা বাঁশের হালকা মিষ্টি ফ্লেভার এবং মশলার সুগন্ধে এই পদটি ভোজনরসিকদের মন জয় করে নেয়।
পাহাড়ে ঘুরতে গেলে ব্যাম্বু চিকেনের স্বাদ নিতে ভুলবেন না। আর বাড়িতেও এই সহজ প্রণালীতে তৈরি করে উপভোগ করতে পারেন পাহাড়ের এই ঐতিহ্যবাহী খাবার।