৯৭২টি গ্রাম গ্রাস করে এগিয়ে আসছে কোন ভয়ঙ্কর বিপদ? আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কী ঘটতে চলেছে, জানলে শিউরে উঠবেন!

দক্ষিণ চিন সাগরের টঙ্কিন উপসাগরে তৈরি হওয়া প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘নারা’ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় চরম ধ্বংসযজ্ঞ চালাতে শুরু করেছে। বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন অঞ্চলের শক্তিশালী মৌসুমী বায়ুর সঙ্গে মিলিত হয়ে এই ঘূর্ণিঝড়টি আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। এর জেরে লাওসের ৯টি প্রদেশের প্রায় ৫৪টি জেলার ৯৭২টি গ্রাম ইতিমধ্যেই জলমগ্ন বা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আবহাওয়াবিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তিশালী হয়ে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর-উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে চিনের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় গুয়াংশি প্রদেশের উপকূলীয় সীমায় প্রবেশ করতে পারে। এই দুর্যোগের ফলে লাওস, ভিয়েতনাম, মায়ানমার এবং থাইল্যান্ডের কোটি কোটি মানুষ চরম সংকটের মুখে পড়েছেন। একটানা ভারী বৃষ্টি ও ভূমিধসের কারণে হাজার হাজার মানুষ গৃহহীন হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ত্রাণ শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দেশগুলির প্রশাসন সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করেছে এবং উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রধান হাইলাইটস:
ঘূর্ণিঝড় ‘নারা’-র তাণ্ডব: টঙ্কিন উপসাগরে তৈরি হওয়া এই শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়টি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভয়াবহ বিপর্যয় ডেকে এনেছে।

লাওসে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি: লাওসের প্রায় ৯৭২টি গ্রাম জলমগ্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যার ফলে ১.৮৭ লক্ষেরও বেশি মানুষ সরাসরি এই দুর্যোগের মুখে পড়েছেন।

ব্যাপক ভূমিধস ও বৃষ্টি: ভিয়েতনাম, মায়ানমার ও থাইল্যান্ডেও প্রবল বর্ষণ, নদীর জলস্তর বৃদ্ধি এবং ভূমিধসের জেরে বহু মানুষের জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়েছে।

প্রশাসনের তৎপরতা: পরিস্থিতি সামাল দিতে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলির সরকার ও উদ্ধারকারী দলগুলি যুদ্ধকালীন তৎপরতায় ত্রাণ এবং উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে।

Aditi Banik
  • Aditi Banik