২৪ ঘণ্টার টানটান নাটক শেষে জামিন! ৫০ হাজার টাকার বন্ডে মুক্ত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা

দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টার টানটান উত্তেজনার অবসান। অবশেষে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শনিবার দিল্লির একটি আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করেছে। তবে মুক্তির জন্য তাঁকে ৫০ হাজার টাকার বন্ডে স্বাক্ষর করতে হয়েছে এবং শান্তিভঙ্গ করবেন না মর্মে মুচলেকা দিতে হয়েছে।
জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার ‘লেহরা দো তেরঙ্গা’ যাত্রা শুরু করার কথা ছিল অভিজিতের। কিন্তু কর্মসূচি শুরুর আগেই তাঁকে আটক করে দিল্লি পুলিশ। পরবর্তীতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার (BNSS) ১২৬ ও ১৭০ ধারায় মামলা দায়ের করে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয়। শনিবার সকালে তাঁকে স্পেশ্যাল এগজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে পেশ করা হলে বিচারক শর্তসাপেক্ষে জামিনের নির্দেশ দেন। আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, বন্ডে সই করার পরেই তাঁকে মুক্তি দেওয়া হবে, আর বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রাখার প্রয়োজন নেই। জামিনে মুক্তির পর তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পৌঁছান এনসিপি (শরদ পওয়ার) মুখপাত্র অনীশ গাওয়ান্ডে।
প্রসঙ্গত, গত ১০ অক্টোবরও বিমানে দিল্লি নামার সময় অভিজিৎ, আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে প্রতিরোধমূলক হেফাজতে নিয়েছিল পুলিশ। অভিজিৎ এবার জামিন পেলেও ককরোচ জনতা পার্টির অন্য দুই শীর্ষ নেতা আশুতোষ ও সৌরভ এখনও তিহাড় জেলে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। নিরাপত্তাজনিত কারণে তাঁদের জেলের অন্যান্য কয়েদিদের থেকে আলাদা রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, এই ঘটনার সঙ্গে আইসা (AISA) নেত্রী নেহা বরাকেও আটক করেছিল পুলিশ। তবে শনিবার ভোরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। বেআইনি আটকের অভিযোগ তুলে দিল্লি পুলিশ ও কেন্দ্রকে নিশানা করেছেন নেহা। একইসঙ্গে এসআইআর (SIR) বাতিল এবং জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার দাবি তুলেছেন তিনি।