হুমায়ুন কবীরই কি মমতার পরবর্তী উপ-মুখ্যমন্ত্রী? বেলডাঙায় ‘বাবরি মসজিদ’ ইস্যুতে বিস্ফোরক দাবি শমীক ভট্টাচার্যের!

ভোটের মুখে ফের তপ্ত মুর্শিদাবাদের রাজনীতি। সৌজন্যে— বিতর্কিত নেতা হুমায়ুন কবীর এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের মধ্যে শুরু হওয়া তীব্র বাদানুবাদ। মুর্শিদাবাদের বেলডাঙায় জেইউপি (JUP) প্রধান হুমায়ুন কবীরের ‘বাবরি মসজিদ’ নির্মাণের উদ্যোগকে কেন্দ্র করে এবার রাজ্য রাজনীতির সমীকরণ নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন শমীক ভট্টাচার্য।
মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা শমীকের: শনিবার বেলডাঙার মাটি থেকে সরাসরি তৃণমূল নেত্রীকে নিশানা করেন বিজেপি সভাপতি। তাঁর দাবি, “যদি তৃণমূল আবার ক্ষমতায় আসে, তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুন কবীরকে রাজ্যের উপ-মুখ্যমন্ত্রী করবেন!” শমীকের এই মন্তব্যকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।
হুমায়ুন কি তৃণমূলের ‘বি-টিম’? বিজেপি নেতার অভিযোগ, হুমায়ুন কবীর আসলে তৃণমূলেরই ‘বি-টিম’ হিসেবে কাজ করছেন। সাধারণ মানুষের ধর্মীয় ভাবাবেগকে উসকে দিয়ে ভোট মেরুকরণ করাই তাঁদের লক্ষ্য। তিনি আরও দাবি করেন:
বেলডাঙায় বাবরি মসজিদ নির্মাণের নামে অশান্তি পাকানোর চেষ্টা চলছে।
হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে সিপিআইএম নেতা মহম্মদ সেলিমের ‘গোপন বৈঠক’ আসলে এক গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ।
বিজেপির কড়া অবস্থান: বেলডাঙায় মসজিদ নির্মাণের তীব্র বিরোধিতা করে শমীক ভট্টাচার্য সাফ জানিয়ে দেন, বিজেপি এই ধরনের প্ররোচনামূলক কাজ বরদাস্ত করবে না। বাম-তৃণমূল এবং হুমায়ুন কবীর— সবাই মিলে রাজ্যের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চাইছে বলে তিনি কড়া ভাষায় আক্রমণ শানান।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে মুর্শিদাবাদের এই ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সমীকরণ রাজ্যের ভোটব্যাঙ্কে কতটা প্রভাব ফেলে, এখন সেটাই দেখার।