হঠাৎ উত্তাল জাতীয় রাজনীতি! দিল্লিতে রামলীলা ময়দানে ধুন্ধুমার বিরোধীদের, রাজপথে পাল্টা ঝাঁপিয়ে পড়ল বিজেপি!

ভোট চুরির গুরুতর অভিযোগে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে রাজধানীর রামলীলা ময়দানে বিশাল সমাবেশ করে INDI জোট। বিরোধীদের এই মেগা শক্তিপ্রদর্শনের পাল্টা জবাবে দিল্লি সহ দেশের একাধিক প্রান্তে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও, অরাজকতা হঠাও’ যাত্রা শুরু করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। দুই শিবিরের এই মুখোমুখি সংঘাত ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র রাজনৈতিক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

হরিয়ানার রোহতকে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনের নেতৃত্বে বিশাল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ তিলোত্তমা কলকাতাতেও বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির উপস্থিতিতে এক মহাসমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে, যেখানে অংশগ্রহণ করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যসহ একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব।

দিল্লিতে বিরোধী জোটের জমায়েত নিয়ে সোচ্চার হয়েছেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী। তিনি দাবি করেন, তাঁর গোটা জীবনে দিল্লিতে এমন অভূতপূর্ব সমাবেশ তিনি কখনও দেখেননি, যা স্পষ্ট করে দেয় যে বর্তমান সরকারের বিদায়ের সময় আসন্ন। অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা শচীন পাইলট বলেন, সরকার ভয় দেখিয়ে মানুষের মুখ বন্ধ করার চেষ্টা করছে, কিন্তু রাহুল গান্ধী বা INDI জোটের কোনো নেতাই পিছু হটবেন না।

বিরোধী জোটকে তীব্র আক্রমণ করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেন, শিখ দাঙ্গার কালো দিনগুলোতে সমাবেশ করে লাখ লাখ মানুষের আবেগে আঘাত করা হয়েছে। বিদেশ থেকে আসা নির্দেশেই এই কর্মসূচির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে বলে তিনি তোপ দাগেন। সিমলায় আয়োজিত মিছিলে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, অনুপ্রবেশকারীদের রুখতে কড়া পদক্ষেপ প্রয়োজনীয়। যে সব রাজ্যে কংগ্রেস সরকার সেখানে সব ঠিক, আর বিজেপি শাসিত রাজ্যে ভোট চুরি—এমন দ্বিমুখী নীতি চলবে না।

সব মিলিয়ে ভোট চুরি বনাম গণতন্ত্র বাঁচানোর এই লড়াইয়ে গোটা দেশের রাজনৈতিক তাপমাত্রা এখন পারদ ছুঁয়েছে।