সুইমিং পুলে নামলেই বুক ধড়ফড় করে? দক্ষ সাঁতারু হয়ে ওঠার ৫টি সহজ ও জাদুকরী টিপস জেনে নিন এখনই!

রবিবার মালদহ জেলা ক্রীড়া সংস্থার ৩৭তম বর্ষের উদ্যোগে ডি.এস.এ সুইমিং পুলে সফলভাবে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল আকর্ষণীয় বার্ষিক সাঁতার প্রতিযোগিতা। এই প্রতিযোগিতায় উদীয়মান এবং অভিজ্ঞ সাঁতারুদের ব্যাপক উপস্থিতি ও উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। যেখানে বড় পুলে ১৩৭ জন এবং ছোট পুলে ৫০ জন প্রতিযোগী তাঁদের নৈপুণ্য প্রদর্শন করেন।

জমজমাট প্রতিযোগিতা ও বিভিন্ন বিভাগ

৫ বছরের ছোট শিশু থেকে শুরু করে ওপেন-টু-অল বিভাগ পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সভিত্তিক গ্রুপে পুরুষ ও মহিলা সাঁতারুরা নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দেন। এদিনের প্রতিযোগিতায় ফ্রিস্টাইল, ব্যাকস্ট্রোক, ব্রেস্টস্ট্রোক এবং বাটারফ্লাইয়ের মতো বৈচিত্র্যময় বিভাগে প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের অসাধারণ শৈলী উপস্থিত দর্শনার্থীদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রাখে।

সাঁতার শেখার সহজ গাইডলাইন

অনুষ্ঠানে দক্ষ সাঁতারু গড়ে তোলার সহজ অথচ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কিছু গাইডলাইন তুলে ধরেন সাঁতার প্রশিক্ষক সুমিত বরুয়া। তিনি জানান, সাঁতার শেখার মূল শর্তই হলো জলকে ভয় না পেয়ে জলের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তোলা।

  • জলভীতি দূর করা: প্রাথমিক ধাপে কম গভীরতার জলে নেমে ভয় কাটানো এবং শরীরকে সহজে জলে ভাসিয়ে রাখার কৌশল রপ্ত করা জরুরি।

  • সঠিক সমন্বয়: জলের নীচে চোখ খোলা রাখা, সঠিক পদ্ধতিতে দম ধরে রাখা এবং হাত, পা ও শ্বাস-প্রশ্বাসের নিখুঁত সমন্বয়ই সাঁতারের গতি ও দক্ষতা বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

ভবিষ্যত পরিকল্পনা ও সংবর্ধনা

জেলার সুপ্ত প্রতিভাদের খুঁজে বের করে রাজ্য ও জাতীয় স্তরের মঞ্চে পৌঁছে দেওয়াই এই প্রতিযোগিতার মূল উদ্দেশ্য বলে জানান ডিএসএ সদস্য দেবব্রত সাহা। প্রতিযোগিতার সমাপনী পর্বে বিজয়ী ও কৃতী প্রতিযোগীদের হাতে ট্রফি ও সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। প্রতিযোগীদের আরও বেশি উৎসাহ দিতে এবং জলক্রীড়ার পরিসরকে আরও আধুনিক ও আকর্ষণীয় করে তুলতে আগামী দিনে প্রশিক্ষণে ‘ফিনসুইমিং’ পদ্ধতি যুক্ত করার বিশেষ পরিকল্পনার কথাও ঘোষণা করেছেন আয়োজকেরা।