সিরিজ় জিততে ভারত-ই ভরসা? অস্ট্রেলিয়ার টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে বিরাট চমক

আসন্ন সীমিত ওভারের সিরিজে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হতে চলেছে অস্ট্রেলিয়া। তবে এই দ্বিপাক্ষিক লড়াই শুরুর আগেই দল নির্বাচনে এক অত্যন্ত সাহসী ও দূরদর্শী পদক্ষেপ নিয়েছে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া (সিএ)। ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে এবং পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ়ের জন্য দল ঘোষণা করেছে অজ়ি বোর্ড। আসন্ন ব্যস্ত টেস্ট মরশুম ও ওয়ার্কলোড ম্যানেজমেন্টের কথা মাথায় রেখে দলের মূল তিন পেস স্তম্ভকে সাদা বলের এই সিরিজ় থেকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখা হয়েছে।

বোর্ডের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ভারতের বিরুদ্ধে হাই-ভোল্টেজ বর্ডার-গাভাসকর ট্রফি এবং নিউ জ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ়ের পূর্ণ প্রস্তুতির জন্যই অধিনায়ক প্যাট কামিন্স, অভিজ্ঞ পেসার মিচেল স্টার্ক এবং জশ হ্যাজ়েলউডকে এই সিরিজ়ে রাখা হয়নি। সিনিয়র তারকাদের অনুপস্থিতিতে দলের অধিনায়কত্ব সামলাবেন মিচেল মার্শ, আর স্কোয়াডে একঝাঁক নতুন মুখের ওপর ভরসা রেখেছে টিম ম্যানেজমেন্ট।

এই দলবদলের সবচেয়ে বড় চমক হলো টি-টোয়েন্টি স্কোয়াডে ভারতীয় বংশোদ্ভূত অলরাউন্ডার নিখিল চৌধুরীর অন্তর্ভুক্তি। পাঞ্জাবের জালন্ধরে জন্ম নেওয়া নিখিল বিগ ব্যাশ লিগে হোবার্ট হারিকেনসের হয়ে দুর্দান্ত পারফর্ম করে ইতিমধ্যেই নজর কেড়েছেন। জাতীয় দলের জার্সিতে নিজের জাত চিনিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে স্থায়ী জায়গা পাকা করার এক দারুণ সুযোগ সামনে এসেছে তাঁর। নিখিল ছাড়াও স্কোয়াডে সুযোগ পেয়েছেন লিয়াম স্কট, জ্যাক এডওয়ার্ডস, জোয়েল ডেভিস, লাচলান শ এবং স্যাম হারপারের মতো তরুণেরা। ওয়ানডে স্কোয়াডেও অনূর্ধ্ব-১৯ পর্যায়ের সফল তারকা মালি বিয়ার্ডম্যান এবং অলিভার পিকের মতো তরুণ মুখদের অন্তর্ভুক্ত করেছে অজ়ি নির্বাচকরা। সিনিয়রদের ছাড়া ইংল্যান্ডের আগ্রাসী ‘বাজ়বল’ ক্রিকেটের মোকাবিলা করতে এই তরুণ ব্রিগেড কতটা সফল হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। আগামী ১৩ নভেম্বর থেকে শুরু হবে ওয়ানডে সিরিজ় এবং ২১ নভেম্বর থেকে মাঠে গড়াবে টি-টোয়েন্টি লড়াই।