রান্নাঘরের চিনি আর গুড়ে বারবার পিঁপড়ে? এই সামান্য জিনিসেই ম্যাজিকের মতো গায়েব হবে পোকা!

প্রত্যেক বাঙালির রান্নাঘরেই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় চিনি এবং গুড়ের ব্যবহার অত্যন্ত সাধারণ ঘটনা। কিন্তু মুশকিল হলো, মিষ্টি এই দুই উপাদানের কৌটো খুললেই প্রায়শই দেখা যায় পিঁপড়ের উপদ্রব। কেবল তা-ই নয়, সামান্য বাতাস বা আর্দ্রতার সংস্পর্শে আসলেই চিনি দলা বাঁধতে শুরু করে এবং গুড় হয়ে যায় গলগল ও আঠালো। বিশেষ করে বর্ষার দিনে এই সমস্যা দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু এই ঝক্কি থেকে মুক্তি পেতে দামি কোনো রাসায়নিক বা বিশেষ পাত্র কেনার মোটেও প্রয়োজন নেই। রান্নাঘরে থাকা কয়েকটি সাধারণ ঘরোয়া উপাদানেই নিমেষে দূর হতে পারে এই মাথা ব্যথার কারণ।
চিনিকে সবসময় শুকনো এবং পিঁপড়েমুক্ত রাখতে লবঙ্গ ও তেজপাতা অসাধারণ কাজ করে। চিনির পাত্রে ৪-৫টি লবঙ্গ ফেলে রাখলে এর তীব্র গন্ধে পিঁপড়ে আর ধারেকাছে আসে না, সাথে চিনি থাকে ঝরঝরে। একইভাবে ২-৩টি পরিষ্কার তেজপাতা রেখে দিলেও তা বাড়তি আর্দ্রতা শুষে নেয়। এছাড়া একটি পাতলা সুতির কাপড়ে সামান্য শুকনো নিমপাতা অথবা এক মুঠো শুকনো চাল বেঁধে ছোট পুঁটলি বানিয়ে চিনির কৌটোয় রেখে দিলে চাল বাতাসের জলীয় বাষ্প টেনে নেয় এবং নিমপাতার তিতকুটে গন্ধে সব ধরনের পোকামাকড় দূরে থাকে।
অন্যদিকে গুড়কে দীর্ঘদিন আঠালো হওয়া থেকে বাঁচাতে কেনার পরেই প্লাস্টিক ফয়েল থেকে বের করে বায়ুরোধী (Air-tight) পাত্রে রাখা উচিত। তবে তার আগে গুড়টিকে একটি পরিষ্কার ও শুকনো সুতির কাপড়ে মুড়ে নিয়ে পাত্রে রাখলে এতে ঘাম জমে না। এর সাথে গুড়ের কৌটোয় এক চামচ মৌরি ছড়িয়ে রাখলে তার সুবাসে পিঁপড়ের আক্রমণ পুরোপুরি বন্ধ হয় এবং গুড় থাকে দীর্ঘদিন একদম ভালো ও তাজা।