ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসতেই শিউরে ওঠার মতো তথ্য! বারুইপুরে নাবালিকাকে কি জীবিত অবস্থাতেই পুকুরে ফেলেছিল দুষ্কৃতীরা?

বারুইপুরে ১২ বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রিপোর্টে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, নাবালিকার মাথায় ভারী কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছিল এবং ঘাড় ও গলায় রয়েছে গভীর ক্ষত। তবে সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো, ওই নাবালিকার ফুসফুসে জল পাওয়া গেছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মৃত্যুর পর কাউকে জলে ফেললে ফুসফুসে জল ঢোকার সম্ভাবনা থাকে না। এর থেকে স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে যে, নৃশংস অত্যাচারের পর জীবিত অবস্থাতেই তাকে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
যৌনাঙ্গে একাধিক ক্ষতচিহ্ন থেকে নিশ্চিতভাবে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের প্রমাণ মিলেছে বলে পুলিশি সূত্রে খবর। তদন্তে নেমে পুলিশ রবিবার থেকে সোমবারের মধ্যে মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে। ইতিমধ্যে একটি সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে নীল টুপি পরা এক ব্যক্তি ওই নাবালিকাকে রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। ওই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করার পরই অপরাধীদের জালের মধ্যে টানতে সক্ষম হয় পুলিশ। বর্তমানে ধৃতদের জেরা করে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ঠিক কতজনের হাত রয়েছে এবং কেন এমন অমানবিক ঘটনা ঘটল, তা জানার চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। নৃশংসতার এই চরম নিদর্শন দেখে জনমনে শোক ও ক্ষোভের আগুন জ্বলছে।