‘ভোট চুরি’ ও SIR ইস্যুতে তুলকালাম দিল্লি! রাহুল গান্ধীর বড় ঘোষণার পরই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ল নগরী

‘ইন্ডিয়া’ জোটের সুপ্রিম কোর্ট অভিমুখে মেগা বিক্ষোভ মিছিলকে কেন্দ্র করে সোমবার সপ্তাহের শুরুতেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছে দেশের রাজধানী দিল্লি। নির্বাচন কমিশনের বিতর্কিত ভূমিকা, এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় কারচুপি এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে বিরোধীদের এই হাই-ভোল্টেজ কর্মসূচির কারণে পুরো মধ্য দিল্লিকে কড়া নিরাপত্তা বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে সকাল ৬টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত রাজীব চক, প্যাটেল চক, জনপথ, মান্ডি হাউস, সেন্ট্রাল সেক্রেটারিয়েট ও বারাকাম্বা রোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ছয়টি মেট্রো স্টেশনে যাত্রী প্রবেশ ও প্রস্থান সম্পূর্ণ বন্ধ রাখা হয়েছে।
হঠাৎ করেই এই মেগা ট্রাফিক ডাইভারশনের কারণে সকাল থেকেই চরম ভোগান্তির মুখে পড়েছেন অফিসযাত্রী ও সাধারণ পথচারীরা। তার ওপর গত রাতের মুষলধারে বৃষ্টির ফলে সৃষ্টি হওয়া জলজট পরিস্থিতির অবনতি ঘটিয়েছে। দিল্লি ট্রাফিক পুলিশের তরফ থেকে কনট প্লেস, মান্ডি হাউস, মিন্টো রোড, অশোক রোড ও ধৌলা কুঁয়াঁ সহ মোট ৩০টিরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ ও বিকল্প পথ ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জরুরি সহায়তার জন্য ১০৯৫ হেল্পলাইন নম্বর এবং হোয়াটসঅ্যাপ সাপোর্ট চালু রাখা হয়েছে।
এর আগে বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী একটি সোশাল মিডিয়া ভিডিও বার্তায় কেন্দ্র সরকারের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, “শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদরত তরুণদের ওপর পুলিশ ও শাসকদলের লোকেরা লাঠিচার্জ করেছে। গণতন্ত্র ও সংবিধান রক্ষায় আজ পুরো ভারত একজোটে সুপ্রিম কোর্টের দিকে পদযাত্রা করবে।” তিনি আরও জানান, এই মিছিলে সাধারণ জনগণ, সুশীল সমাজ ও জোটের সমস্ত শীর্ষ নেতারা শামিল হয়ে প্রধান বিচারপতির কাছে বিশেষ স্মারকলিপি জমা দেবেন। বর্তমানে রাজধানীর রাজপথে জমায়েত ও চাপা উত্তেজনার পারদ হু হু করে বাড়ছে।