বিপুল অঙ্কের টাকা নয়ছয়ের বড় অভিযোগ! কেন ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে MPO আইনের ২ ও ৯ নম্বর ধারা যুক্ত করতে চায় পুলিশ?

গ্রেফতার হওয়া রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে তদন্তের জাল আরও গুটিয়ে আনতে চলেছে কলকাতা পুলিশ। বেআইনিভাবে বিপুল অঙ্কের অর্থ ও সম্পত্তি অর্জনের মামলায় প্রাক্তন এই মন্ত্রীর ওপর আইনি চাপ আরও বাড়াতে এবার পশ্চিমবঙ্গ মানি প্রহিবিশন অ্যান্ড অফেনসেস (MPO) আইনের অত্যন্ত কড়া ২ এবং ৯ নম্বর ধারা যুক্ত করার আবেদন জানিয়ে ব্যাঙ্কশাল আদালতের দ্বারস্থ হলো পুলিশ।
বিপুল অর্থ নয়ছয় ও সম্পত্তির অভিযোগ: তদন্তকারীদের দাবি, ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে বেআইনি উপায়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ ও সম্পত্তি সংগ্রহের একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। সংগৃহীত সেই বেআইনি টাকা নিজের এবং পরিচিতদের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দ্রুত সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি করেছেন গোয়েন্দারা।
কেন এই দুটি নতুন ধারা? ব্যাঙ্কশাল আদালতে পুলিশের পক্ষ থেকে যুক্তি দেওয়া হয়েছে যে:
MPO আইনের ২ নম্বর ধারা: বেআইনিভাবে অর্জিত অর্থ বা সম্পদ আত্মসাৎ ও লুকানোর অপরাধকে এই সংশোধিত আইনের ২ নম্বর ধারার আওতায় আনার স্পষ্ট বিধান রয়েছে।
MPO আইনের ৯ নম্বর ধারা: এই ধরণের জটিল আর্থিক অপরাধ ও নয়ছয়ের ক্ষেত্রে অপরাধীদের কঠোরতম শাস্তির বিধান রয়েছে ৯ নম্বর ধারায়।
এই কারণে প্রাক্তন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলার জল যাতে আরও শক্ত হয় এবং তদন্তের ব্যাপ্তি বাড়ানো যায়, সেই উদ্দেশ্যেই এই দুটি ধারায় নতুন করে মামলা রুজু করার আবেদন জানানো হয়েছে। আদালত এই আর্জিতে সীলমোহর দিলে ইন্দ্রনীল সেনের আইনি আইসোলেশন ও বিচারবিভাগীয় জটিলতা যে বহুগুণ বাড়বে, তা বলাই বাহুল্য।