“বক্তব্য বিভ্রান্তিকর!” সংসদ সদস্য সাগরিকা ঘোষের মন্তব্যের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নিল রাজ্য নির্বাচন দফতর

ভোটার তালিকা সংশোধন এবং এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে সংঘাতে জড়াল নির্বাচন কমিশন ও শাসকশিবির। সাংসদ সাগরিকা ঘোষের একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্টকে ‘বিভ্রান্তিকর’ বলে দাবি করল রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (CEO) দফতর। আর এরপরই নির্বাচন কমিশনের সেই ব্যাখ্যার বিরুদ্ধে পাল্টা প্রশ্ন তুলে রাজনৈতিক পারদ আরও চড়িয়েছেন তৃণমূল সাংসদ।
সম্প্রতি ‘এক দেশ এক ভোট’ সংক্রান্ত যৌথ সংসদীয় কমিটির বৈঠকে বিরোধীরা সোচ্চার হয়ে জানান যে, এই ব্যবস্থা কার্যকর হলে নির্বাচন কমিশন সংবিধানকে এড়িয়ে অত্যন্ত শক্তিশালী হয়ে উঠতে পারে। এরই পাশাপাশি ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া এবং নতুন নাম তোলার প্রক্রিয়া নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন ওঠে। এই প্রেক্ষাপটেই সাগরিকা ঘোষের একটি এক্স হ্যান্ডেল (পুরনো টুইটার) পোস্ট ঘিরে বিতর্ক শুরু হয়।
তৃণমূল সাংসদের করা ওই পোস্টটি বিভ্রান্তিকর বলে পালটা বিজ্ঞপ্তি ও ব্যাখ্যা প্রকাশ করে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর। নির্বাচন কমিশনের নিয়ম মেনে কীভাবে ভোটারদের নাম বাদ বা অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে, তার স্পষ্ট বিধান তুলে ধরা হয় সিইও দফতরের অফিসিয়াল এক্স হ্যান্ডেল থেকে।
তবে নির্বাচন কমিশনের এই পালটা পদক্ষেপের পরেই চুপ থাকেননি সাগরিকা ঘোষ। কমিশনের দাবিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে তিনিও ফের পালটা পোস্ট করেন এবং প্রশ্ন তোলেন যে তাঁর বক্তব্য কীভাবে বিভ্রান্তিকর হলো? সবমিলিয়ে, নির্বাচন কমিশনের দফতর এবং এক বিশিষ্ট সাংসদের এই ভার্চুয়াল দ্বৈরথ এখন রাজ্য রাজনীতিতে নতুন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।