পুরনো ছেঁড়া জামা দিয়ে ঘর মুছছেন? পুজোর আগে ঘরে এই বড় ভুল করলেই ধেয়ে আসবে চরম বিপদ!

দুর্গাপুজো মানেই ঘরবাড়ি ঝকঝকে করে তোলার পালা। আর পরিচ্ছন্নতার কাজ শুরু হতেই অনেকেরই পুরনো অভ্যাস অনুযায়ী আলমারি থেকে ছেঁড়া জামাকাপড়, গেঞ্জি বা নাইটি বের করে তা দিয়ে ঘর মুছতে শুরু করেন। অনেকেই ভাবেন, বাতিল জিনিস কাজে লেগে গেল। কিন্তু বাস্তুশাস্ত্র ও জ্যোতিষ বিশেষজ্ঞদের মতে, পুজোর মুখে এই ছোট্ট ভুলটিই আপনার সাজানো সংসারে বড় ধরনের বিপদ ডেকে আনতে পারে।
কেন ছেঁড়া কাপড় দিয়ে ঘর মোছা মারাত্মক অশুভ?
বাস্তুশাস্ত্র মতে, ঘর পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। এই নিয়মগুলি না মানলে জীবনে নেতিবাচক শক্তির প্রভাব বাড়তে পারে:
দারিদ্র্যের আগমন: ছেঁড়া, ফাটা বা নোংরা কাপড়ে নেগেটিভ এনার্জি বা দারিদ্র্যের শক্তি বাস করে। সেই কাপড় দিয়ে ঘর মুছলে অজান্তেই পুরো ঘরে সেই নেতিবাচক শক্তি ছড়িয়ে পড়ে।
মা লক্ষ্মীর অসন্তুষ্টি: মা লক্ষ্মী সবসময় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং সৌন্দর্য পছন্দ করেন। ছেঁড়া কাপড় অশুভতার প্রতীক। তাই এটি দিয়ে ঘর পরিষ্কার করলে ঘরের পবিত্রতা নষ্ট হয় এবং দেবী লক্ষ্মী সেই গৃহে প্রবেশ করেন না।
রাহু-কেতুর অশুভ প্রভাব: জ্যোতিষ মতে, ছেঁড়া ও নোংরা কাপড়ের ব্যবহার কোষ্ঠীতে রাহু এবং কেতুর অশুভ প্রভাব বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে পরিবারে অশান্তি, আর্থিক সংকট এবং কাজে বারবার বাধা আসতে শুরু করে।
পুজোর আগে কোন নিয়ম মানবেন?
ঘর মোছার জন্য সবসময় নতুন অথবা ভালো অবস্থায় থাকা সুতির কাপড় ব্যবহার করুন।
বাস্তু অনুযায়ী হলুদ বা হালকা রঙের কাপড় দিয়ে ঘর মোছা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।
ভুলেও নিজের পরা ছেঁড়া অন্তর্বাস বা পুরনো জামাকাপড় দিয়ে ঘর মুছবেন না।
পুরনো ছেঁড়া জামাকাপড় গরিবদের দান করবেন না। দান করার সময় সবসময় ভালো ও ব্যবহারযোগ্য পোশাকই দান করা উচিত, তবেই পুণ্য লাভ হয়। ছেঁড়া কাপড় রিসাইকেল করুন বা নিরাপদে ফেলে দিন।