নির্দিষ্ট সময়ের ৫ মাস আগেই বড় সাফল্য! ১১ কোটি কৃষকের ‘ফার্মার আইডি’ বানিয়ে রেকর্ড গড়ল কেন্দ্র

কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে দেশের অন্নদাতাদের জন্য এক বিশাল মাইলফলক অর্জনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ মার্চ ২০২৭-এর আগেই দেশের ১১ কোটি কৃষকের ‘ফার্মার আইডি’ (Farmer ID) তৈরির লক্ষ্যমাত্রা সফলভাবে পূরণ করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় পাঁচ মাস আগেই এই বিরাট সাফল্যের খবর সামনে আসায় দেশের কৃষি মহলে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকদের ডিজিটাল পরিচয় নিশ্চিত করতে এবং সরকারি সুযোগ-সুবিধা সরাসরি তাঁদের হাতে পৌঁছে দিতে এই উদ্যোগ এক বিপ্লব এনেছে।

কেন্দ্রীয় সূত্রে প্রকাশিত তথ্যে জানা গেছে যে, দেশের কৃষকদের আরও শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী করে তুলতে এই ডিজিটাল রেজিস্ট্রি বা ফার্মার আইডি তৈরির কাজ অত্যন্ত দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে। এর ফলে প্রতিটি কৃষকের নিজস্ব একটি ডিজিটাল পরিচয় তৈরি হয়েছে, যার মাধ্যমে তাঁদের জমির বিবরণ, চাষের ধরণ, এবং সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি স্বচ্ছতার সঙ্গে প্রদান করা সম্ভব হবে। অতীতে কৃষকদের বিভিন্ন অনুদান বা শংসাপত্র পেতে নানা ধরনের জটিলতার মুখোমুখি হতে হতো, কিন্তু এই ইউনিক ডিজিটাল আইডির জেরে এখন সমস্ত প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ সহজ ও স্বচ্ছ হয়ে উঠবে।

পাশাপাশি, কৃষিকাজের অন্যতম প্রধান উপাদান সার বা খাদের সঠিক সরবরাহ এবং বিক্রির বর্তমান পরিসংখ্যান নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে এসেছে। দেশজুড়ে সারের নিরবচ্ছিন্ন জোগান বজায় রাখতে এবং কালোবাজারি রোধ করতে সরকার কঠোর নজরদারি চালাচ্ছে। ডিজিটাল এই পরিকাঠামো গড়ে ওঠার ফলে কোন এলাকায় কী পরিমাণ সারের চাহিদা রয়েছে এবং তা কীভাবে সঠিক সময়ে কৃষকদের কাছে পৌঁছাচ্ছে, তার রিয়েল-টাইম ডেটা সরকারের হাতে থাকবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ফার্মার আইডি এবং সারের সুষম বন্টনের এই দুই পদক্ষেপে দেশের কৃষি অর্থনীতি এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে এবং সাধারণ কৃষকরা সবচেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।