: ‘নন্দীগ্রাম আন্দোলন জনগণের ছিল, কারও ব্যক্তিগত নয়!’ শহীদ স্মরণে মুখ্যমন্ত্রীকে তীব্র আক্রমণ শুভেন্দু অধিকারীর

নন্দীগ্রামে শহীদ দিবস (১৪ মার্চ) উপলক্ষে আয়োজিত স্মরণসভায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেছেন। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের উত্তরাধিকার নিয়ে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে চলমান রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই শুভেন্দু এই বিস্ফোরক মন্তব্য করেন।
নন্দীগ্রাম আন্দোলন নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য: শুভেন্দু অধিকারী স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেছেন যে নন্দীগ্রামের জমি রক্ষা আন্দোলন কোনো নির্দিষ্ট দল বা নেতানেত্রীর ব্যক্তিগত আন্দোলন ছিল না, বরং এটি ছিল জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত আন্দোলন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ: নাম না করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “যারা ১২ বছর ধরে নন্দীগ্রামকে ভুলে গিয়েছিলেন, তারা এখন ভোট ভিক্ষা করতে আসছেন।” তিনি ইঙ্গিত করেন যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে অধিকারী পরিবার ছাড়া নন্দীগ্রামে প্রবেশ করা সম্ভব হতো না।
বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ: শুভেন্দু অভিযোগ করেন, তৃণমূল সরকার সেই পুলিশ কর্তাদেরই পদোন্নতি দিয়েছে, যারা ২০০৭ সালের ১৪ মার্চ নন্দীগ্রামে গুলি চালানোর জন্য দায়ী ছিল। তাঁর কথায়, “যারা নন্দীগ্রাম হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়ী, তাদের পদোন্নতি দিয়ে তৃণমূল সরকার শহীদদের আত্মত্যাগকে অপমান করেছে।”
হুঙ্কার ও চ্যালেঞ্জ: শুভেন্দু অধিকারী হুঙ্কার দিয়ে বলেছেন, “সিপিএমকে সাফ করেছি, এবার পিসি-ভাইপোকে গ্যারেজ করে দেব।” আগামী দিনে তৃণমূলের অবস্থা সিপিএম-এর মতো হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।
প্রসঙ্গত, নন্দীগ্রামের এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী, যিনি বর্তমানে তৃণমূলের প্রধান প্রতিপক্ষ। এই দিবসকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরই তৃণমূল ও বিজেপির পক্ষ থেকে পৃথক শহীদ স্মরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।