দীপাবলির আগেই ফাঁদ পাতল প্রশাসন! ৩,২৮০ টন ক্ষতিকর খাবার বাজেয়াপ্ত হতেই বিরাট চাঞ্চল্য!

উৎসবের মরশুমে বাজারে মিষ্টি, পনির, দুধ এবং ঘিয়ের চাহিদা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়। এই সুযোগে একশ্রেণির অসাধু ও মুনাফালোভী ব্যবসায়ী বাজারে দেদার ভেজাল এবং অত্যন্ত নিম্নমানের খাদ্যসামগ্রী বিক্রি করতে শুরু করে। তবে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে এবার এই সমস্ত ভেজাল কারবারিদের বিরুদ্ধে কঠোরতম পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে দেশের শীর্ষ খাদ্য সুরক্ষা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘FSSAI’। ভারতীয় খাদ্য নিরাপত্তা ও মান কর্তৃপক্ষ (FSSAI) দেশজুড়ে একটি বিশেষ ও কঠোর অভিযান চালিয়ে প্রায় ৩,২৮০ টন নিষিদ্ধ এবং নির্ধারিত মানের চেয়ে বহুগুণ কম মানের ক্ষতিকর খাদ্য পণ্য বাজেয়াপ্ত করেছে। উদ্ধার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ ভেজাল খাদ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৮২ কোটি টাকা বলে জানা গিয়েছে।

শুধু তাই নয়, খাদ্য সুরক্ষা আইনের নিয়মনীতি গুরুতরভাবে লঙ্ঘন করার অভিযোগে মোট ৫২টি ব্যবসায়িক লাইসেন্স সম্পূর্ণ বাতিল করা হয়েছে এবং ১,১৩৩টি লাইসেন্স অবিলম্বে স্থগিত বা সাসপেন্ড করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, আইন অমান্যকারী ৩১৪টি খাদ্য উৎপাদন ও বিক্রয় প্রতিষ্ঠানকে সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে। দীপাবলি ও অন্যান্য উৎসবের ঠিক প্রাক্কালে যখন বাজারে খাদ্যের চাহিদা ও ব্যবহার তুঙ্গে থাকে, ঠিক সেই সময়েই এই বড়সড় অভিযানটি চালানো হয়েছে। FSSAI-এর এই দেশব্যাপী আকস্মিক অভিযানে ঠিক কী কী চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে এবং সাধারণ ক্রেতাদের জন্য এর আসল অর্থ কী, তা একনজরে দেখে নেওয়া যাক।

FSSAI-এর এই দেশব্যাপী বিশেষ নিবিড় পরিদর্শক অভিযানে ৮২ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের ৩,২৮০ টন নিম্নমানের পণ্য জব্দ করা হয়েছে। উৎসবের বাজারে লাগামছাড়া ভেজাল রুখতে গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে এই বিশেষ নজরদারি অভিযান শুরু হয়েছিল। লাইসেন্স বাতিল, সাসপেন্ড এবং প্রতিষ্ঠান সিল করার পাশাপাশি FSSAI দেশের খাদ্য ব্যবসায়ীদের মোট ১০,০৪৭টি সংশোধনী নোটিশও জারি করেছে। উল্লেখ্য, চলতি বছরে সাধারণ মানুষের পাতে সম্পূর্ণ নিরাপদ ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার তুলে দিতে ই-কমার্স সংস্থা ও খাদ্য ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে এই সংস্থা।