‘ঠাকুমার মৃত্যুর খবর পেয়েও পরিবারে কথা বলতে চাইলেন না!’ আটকের পরেই সিজেপি নেতা অভিজিৎকে নিয়ে বিস্ফোরক তথ্য ফাঁস দিল্লি পুলিশের

‘ককরোচ জনতা পার্টি’ (CJP)-র বিতর্কিত বিক্ষোভ কর্মসূচি এবং প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের আটক হওয়াকে কেন্দ্র করে এবার মুখ খুলল দিল্লি পুলিশ। শনিবারের উত্তাল পরিস্থিতির পর রবিবার এক সাংবাদিক বৈঠকে দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে একটি চাঞ্চল্যকর ভিডিও ক্লিপ প্রকাশ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, আটকের পর সিজেপি প্রধান অভিজিৎ দীপককে তাঁর ঠাকুমার প্রয়াণের খবর জানানো হলেও তিনি পরিবারের সঙ্গে কথা বলতে বা বাড়ি ফিরতে রাজি হননি।
দিল্লি পুলিশের জনসংযোগ কর্মকর্তা (PRO) তথা ডিসিপি নেহা যাদব সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন, সিজেপি-র এই প্রতিবাদের জন্য আগে থেকে কোনো প্রশাসনিক অনুমতি নেওয়া ছিল না। তা সত্ত্বেও সংগঠনের কর্মীরা জোর করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান, যা স্পষ্টতই আইনের লঙ্ঘন। পুলিশের ভাষ্যমতে, অভিজিৎ দীপককে সমস্ত নিয়মের বাইরে গিয়ে বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য সব ধরনের সাহায্যের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। এমনকি তাঁর যাতায়াতের জন্য ফ্লাইটের ব্যবস্থার বিকল্পও খোলা রাখা হয়েছিল।
পুলিশের প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, আটকের পর ওই নেতার দিদিমার মৃত্যুর খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর পরিবার বা বাবা-মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চালায় পুলিশ। কিন্তু দীপক নিজে সেই সহযোগিতা করতে অস্বীকার করেন। গতবারের বিক্ষোভে রাজধানীতে ব্যাপক বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির ইতিহাস থাকার কারণেই এবার যন্তর মন্তরে জমায়েতের অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। একইসঙ্গে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির দায়ে অভিজিতের দুই সহযোগীর বিরুদ্ধেও কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছে প্রশাসন। সিজেপি নেতাকে আটক করা নিয়ে তৈরি হওয়া নানা জল্পনা ও বিতর্কের মাঝেই পুলিশের এই বিস্ফোরক দাবি জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।