গঙ্গার জল নামতেই ভূতনি চরে স্বস্তির নিঃশ্বাস! তবে নতুন বিপদের আশঙ্কায় কপালে হাত প্রশাসনের

মালদায় দ্রুতগতিতে নামতে শুরু করেছে গঙ্গার জলস্তর। এর ফলে ভূতনি চরের বিস্তীর্ণ এলাকায় রাস্তাঘাট ও মাটি ভেসে উঠতে শুরু করেছে, যা দেখে এতদিন ত্রাণ শিবির বা আত্মীয়দের বাড়িতে আশ্রয় নেওয়া বানভাসি মানুষগুলির মুখে হাসি ফুটেছে। তাঁরা এখন নিজেদের ঘরের উদ্দেশ্যে রওনা দিতে শুরু করেছেন। তবে সাধারণ মানুষের এই স্বস্তির মাঝেও নতুন করে প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে যোগাযোগ ব্যবস্থা।

জেলাশাসক রাজনবীর সিং কাপুর জানিয়েছেন, বন্যা কবলিত এলাকাগুলি থেকে জল নামতে শুরু করায় স্বাভাবিক জনজীবন ফিরিয়ে আনতে প্রশাসন তৎপর হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় নদীর জল ১৫ সেন্টিমিটার কমে ২৫.১৯ মিটারে নেমেছে। যদিও গঙ্গার জল ফুলহরে পড়ায় সেই নদীর জল কিছুটা বাড়লেও তা এখনও বিপদসীমার অনেকটাই নীচে রয়েছে। এদিকে যাঁদের বাড়ি থেকে জল নেমে গিয়েছে, তাঁরা বাড়ি ফিরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও ব্লিচিং পাউডার ছড়ানোর কাজ শুরু করে দিয়েছেন।

তবে প্রশাসনের অন্দরে এখন প্রধান মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে জল সম্পূর্ণ নেমে গেলে যোগাযোগ ব্যবস্থা কীভাবে বজায় রাখা হবে। পর্যাপ্ত জল থাকায় এতদিন নৌকা চলাচল করলেও, জল আরও কমলে নৌকা যেমন চলবে না, তেমনই জলমগ্ন রাস্তায় সাধারণ গাড়িও যাতায়াত করতে পারবে না। এই পরিস্থিতিতে বিকল্প বাহন হিসেবে ট্র্যাক্টর ব্যবহারের মতো বিষয়গুলি নিয়ে এখন থেকেই চিন্তাভাবনা শুরু করে দিয়েছে জেলা প্রশাসন। পাশাপাশি, জলবাহিত রোগ প্রতিরোধে ব্লিচিং ছড়ানো এবং পানীয় জলের নলকূপগুলি জীবাণুমুক্ত করার কাজও পুরোদমে শুরু হয়েছে।

Aditi Banik
  • Aditi Banik