এক ধাক্কায় দেড় লাখে পৌঁছল গাড়ির ঋণ! উৎসবের মরশুমে রাজ্য সরকারি কর্মীদের বিরাট উপহার!

রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের জন্য উৎসবের আবহেই এল এক বিরাট খুশির খবর! পেট্রোল-ডিজেলের বাড়তি দামের যুগে বাইক, স্কুটার কিংবা পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক বাইক (E-Bike) কেনাকে আরও সহজ ও সাশ্রয়ী করতে অগ্রিম ঋণের ঊর্ধ্বসীমা অনেকটাই বাড়াল রাজ্য সরকার। এই মর্মে অর্থ দপ্তরের পক্ষ থেকে একটি নতুন বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে, যা অত্যন্ত স্বস্তি দেবে হাজার হাজার সরকারি কর্মীকে।
বাইক ও ই-স্কুটারের জন্য কত টাকা মিলবে অগ্রিম?
অর্থ দপ্তরের প্রকাশিত নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, কাজের সুবিধা ও যাতায়াতের কথা মাথায় রেখে সাধারণ যানবাহন এবং ই-বাইক কেনার ক্ষেত্রে পৃথক ঋণের সুযোগ দেওয়া হয়েছে:
প্রথমবার সাধারণ বাইক/স্কুটার কেনায়: সর্বোচ্চ ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম পাওয়া যাবে।
প্রথমবার ইলেকট্রিক বাইক/স্কুটার কেনায়: পরিবেশবান্ধব ই-বাইকে বাড়তি উৎসাহ দিতে অগ্রিমের সর্বোচ্চ সীমা রাখা হয়েছে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা!
দ্বিতীয়বার বাইক/স্কুটার/ই-বাইক কেনায়: দ্বিতীয় দফায় গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৯০ হাজার টাকা পর্যন্ত অগ্রিম মঞ্জুর করা যাবে।
কারা পাবেন এই সুবিধা? জানুন হিসেব ও শর্তাবলী
অর্থ দপ্তর স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, নতুন এই সুবিধা পেতে হলে সরকারি কর্মীদের রোপা নিয়ম অনুযায়ী মাসিক মূল বেতন (Basic Pay) অন্তত ২৫,৭০০ টাকা হতে হবে।
অগ্রিমের অঙ্ক যেভাবে হিসেব করা হবে:
সাধারণ মোটরসাইকেল বা স্কুটারের জন্য সর্বোচ্চ ৫ মাসের মূল বেতন ধরা হবে।
ইলেকট্রিক বাইক বা ই-স্কুটারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ৬ মাসের মূল বেতন ধরা হবে।
চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত: গাড়ির সম্ভাব্য মোট দাম, সরকারের নির্ধারিত ঊর্ধ্বসীমা এবং কর্মীর বেতনের হিসেব—এই তিনটি অঙ্কের মধ্যে যে পরিমাণটি সবচেয়ে কম হবে, কর্মী সেই পরিমাণ টাকাই অগ্রিম হিসেবে নিজের অ্যাকাউন্টে পাবেন।
নবান্নের এই সময়োপযোগী ও কল্যাণমুখী পদক্ষেপে রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের অন্দরে আনন্দের আমেজ তৈরি হয়েছে।