“অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে!” খোদ ডিএম-এর তদন্ত রিপোর্ট দেখে বেজায় ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট, কড়া তলব আইএএস অফিসারকে

একটি মামলার তদন্ত এবং গাজিয়াবাদ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের (DM) দাখিল করা তদন্ত প্রতিবেদন ও হলফনামা নিয়ে চরম অসন্তোষ প্রকাশ করল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আদালতের পর্যবেক্ষণ, যে পদ্ধতিতে এই প্রতিবেদন তৈরি এবং জমা দেওয়া হয়েছে, তা দেখে স্পষ্ট মনে হচ্ছে মূল অভিযোগটি ধামাচাপা দেওয়ার এক ব্যর্থ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে অসন্তোষ প্রকাশ করে গাজিয়াবাদের জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে আগামী শুনানিতে সশরীরে আদালতে উপস্থিত থাকার কড়া নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিজেন্দ্র কুমার নামের এক ব্যক্তির দায়ের করা আবেদনের শুনানির সময় বিচারপতি অজিত কুমার এবং বিচারপতি গরিমা প্রসাদের ডিভিশন বেঞ্চ এই তাৎপর্যপূর্ণ আদেশ জারি করে।

মামলার শুনানিকালে গাজিয়াবাদের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তথা আইএএস (IAS) কর্মকর্তা রবীন্দ্র কুমার মন্দার একটি ব্যক্তিগত হলফনামা পেশ করে আদালতকে অবহিত করেন। তিনি জানান, বিষয়টি পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের জন্য ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে ৩ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছিল। উক্ত কমিটি ২০২৬ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি তাঁদের চূড়ান্ত রিপোর্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে জমা দেয়।

তবে এই তদন্ত প্রতিবেদনের স্বচ্ছতা ও পদ্ধতিগত ত্রুটি নিয়ে মারাত্মক প্রশ্ন তুলেছে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার পর আদালত স্পষ্ট জানায়, প্রশাসনিক স্তরে মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে অসঙ্গতি দূর করতে এবং আদালতের প্রশ্নের মুখোমুখি হতে খোদ জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে পরবর্তী শুনানির দিনে সশরীরে হাজির থাকার নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত।