বিগ বস বাংলায় চরম বিপর্যয়! জল-গ্যাস বন্ধ হতেই শুরু হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, কোন চালে চমকালেন জীতু-রাজবীর?

মাসের শুরুতেই একেবারে নতুন মোড় নিয়েছে ‘বিগ বস বাংলা’ সিজন ৩-এর খেলা। শোয়ের ৩৭তম পর্বে স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে, অন্দরমহলে টিকে থাকতে গেলে এখন থেকে আর শুধু মৌখিক ঝগড়া বা কূটকচালি চলবেনা, ঘাম ঝরাতে হবে কঠোর কাজে। যারা বিগত পর্ব মিস করেছেন, তাদের জন্য রইল এই রিয়্যালিটি শোয়ের টাটকা ও রোমাঞ্চকর হাইলাইটস।
প্রতিদিনের স্বাভাবিক মেজাজ বজায় থাকলেও বেলা বাড়তেই বিবি দুর্গে নেমে আসে চরম বিপর্যয়। বিগ বসের এই অভিনব ‘লকডাউন’ টাস্কে প্রতিযোগীদের জীবন হয়ে ওঠে দুর্বিষহ। এই নিয়মের জেরে জল, গ্যাস, বাথরুম এবং বিছানার মতো অত্যন্ত জরুরি সুযোগ-সুবিধাগুলি ব্যবহার করতে হলে প্রতিযোগীদের রীতিমতো হাড়ভাঙা পরিশ্রম করতে হচ্ছে। গার্ডেন এলাকায় সাজিয়ে রাখা নানা কঠিন খেলায় নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দিয়েছেন তারকারা।
টাস্কের নিয়ম অনুযায়ী, যাঁতাকলে গম ভেঙে ১২ কেজি আটা সংগ্রহ করা, জলের ট্যাঙ্কিতে এক মগ করে জল ভরে তা পূর্ণ করা, নির্দিষ্ট সময় ধরে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকা কিংবা একটানা সাইকেল প্যাডেল করার মতো কঠিন সব চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছেন ঘরের প্রতিযোগীরা। এই দলে রাজবীর, জীতু, দুর্নিবার থেকে শুরু করে নন্দিনী, মনামী, ঝিলম, নীরঞ্জন, তনুশ্রী, ভরত এবং অনুষ্কা—প্রত্যেকেই জয় ছিনিয়ে নিতে জানপ্রাণ লড়িয়ে দিয়েছেন। বিগ বস খুশি হলেই তবে মিলছে খাবার জোগাড়ের সুযোগ।
এরই মাঝে খেলায় নতুন রোমাঞ্চ এনেছে কয়েন কুড়ানোর টাস্ক। সেই কয়েনের ওপর ভিত্তি করেই নির্ধারিত হচ্ছে প্রতিযোগীদের নিজেদের ও পুরো টিমের দৈনিক খরচ। তবে এই খেলার মধ্যেও বুদ্ধি খাটিয়ে জীতু ও রাজবীর এক দারুণ কৌশল বের করেছেন। তাঁদের সংগ্রহ করা কয়েন ও খাবার দিয়ে বাড়ির অন্দরেই তারা শুরু করে দিয়েছেন এক অভিনব ব্যবসার কৌশল। লকডাউন গেমসের এই উত্তেজনাপূর্ণ পর্ব চলবে ৩৮তম দিনেও। এখন দেখার বিষয় হলো, এই প্রতিযোগিতায় সবচেয়ে বেশি কয়েন কুড়িয়ে আগামী সপ্তাহের ক্যাপ্টেন্সির দৌড়ে কে শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত হাসি হাসেন।