দীপাবলিতে কি বিষ খাচ্ছেন? মিষ্টি কেনার আগে এই ৫টি মারাত্মক দিক না জানলে বড় বিপদে পড়বেন!

দীপাবলি মানেই আলোর রোশনাই আর ঘরে ঘরে হরেক রকমের মিষ্টির মৌ মৌ গন্ধ। বরফি, লাড্ডু কিংবা রসগোল্লা ছাড়া উৎসবের আনন্দ যেন ঠিক জমে ওঠে না। কিন্তু এই মিষ্টির মিষ্টিমুখই যে আপনার জীবনে ডেকে আনতে পারে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি, তা কি জানেন? উৎসবের মরশুম এলেই অতিরিক্ত মুনাফার লোভে বাজারে নেমে পড়ে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী। যার জেরে দেদার বিক্রি হয় বিষাক্ত রাসায়নিক ও ভেজাল মেশানো মিষ্টি। যা থেকে হতে পারে গুরুতর ফুড পয়জনিং এমনকি ক্যানসারের মতো মারণ রোগও।
উৎসবের ঠিক আগে বাজার ছেয়ে যায় ভেজাল পণ্যে। মিষ্টি তৈরিতে দুধের তৈরি ঘন উপাদান বা ‘মাওয়া’-র ওজন বাড়াতে তাতে মেশানো হচ্ছে স্টার্চ, গমের আটা, ডিটারজেন্ট, এমনকি ক্ষতিকর ইউরিয়া পর্যন্ত। খাঁটি ঘিয়ের বদলে ব্যবহার করা হচ্ছে সস্তা পাম অয়েল, বনস্পতি, সেদ্ধ আলু বা পশুর চর্বি। এখানেই শেষ নয়, মিষ্টির সৌন্দর্য বাড়াতে যে রুপোলি তবক বা চাঁদির ওয়ার্ক ব্যবহার করা হয়, তা খাঁটি রুপো তো দূরঅস্ত, অনেক সময় বিষাক্ত অ্যালুমিনিয়ামের পাত দিয়ে তৈরি হয়। মিষ্টির কড়া ও চকচকে রঙ আনতে ব্যবহার করা হয় ‘মেটানিল ইয়েলো’ বা ‘ম্যালাকাইট গ্রিন’-এর মতো কাপড় রং করার নিষিদ্ধ রাসায়নিক, যা মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।
তাহলে আসল আর নকল মিষ্টি চিনবেন কীভাবে? বিশেষজ্ঞদের মতে, বাজারে গিয়ে অতি উজ্জ্বল বা চোখে লাগার মতো কড়া রঙের মিষ্টি একেবারেই কিনবেন না। মিষ্টির ওপর থাকা রুপোর তবক আসল না নকল তা যাচাই করতে আঙুলের ডগায় হালকা ঘষে দেখতে পারেন অথবা সামান্য আগুনের শিখার কাছে ধরলে আসল রুপো হলে তা সঙ্গে সঙ্গে গুঁড়ো হয়ে মিলিয়ে যাবে, কিন্তু অ্যালুমিনিয়াম হলে তা ছাই হয়ে কুঁচকে যাবে। তাই এই দীপাবলিতে একটু সতর্ক থেকে, বিশ্বস্ত দোকান থেকে মিষ্টি কিনুন এবং পরিবারের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত রাখুন।