‘কান্তারা’-র পর এবার শিবাজি মহারাজ! দুই পর্বের মেগা ছবিতে ঐতিহাসিক অবতারে চমকে দিতে আসছেন ঋষভ শেঠি

বক্স অফিসে দেশজুড়ে ঝড় তোলার পর এবার আরও এক ঐতিহাসিক ও মহাপ্রকল্পে নাম লেখালেন ‘কান্তারা’ খ্যাত অভিনেতা-পরিচালক ঋষভ শেঠি (Rishab Shetty)। খুব শীঘ্রই তাঁকে বড় পর্দায় দেখা যাবে মারাঠা সাম্রাজ্যের প্রতিষ্ঠাতা ‘দ্য প্রাইড অফ ইন্ডিয়া – ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ’ (The Pride of India – Chhatrapati Shivaji Maharaj) ছবির মুখ্য ভূমিকায়। দুই পর্বে নির্মিত হতে চলা এই মেগা ঐতিহাসিক ড্রামাটি নিয়ে ইতিমধ্যেই সিনেপ্রেমী মহলে শুরু হয়ে গেছে উন্মাদনা।

প্রখ্যাত প্রযোজক ভূষণ কুমার, অভিনেতা-পরিচালক ঋষভ শেঠি এবং বিশিষ্ট প্রযোজক-পরিচালক সন্দীপ সিং যৌথভাবে এই বিশাল প্রজেক্টটি দর্শকদের সামনে নিয়ে আসছেন। ছবিতে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের অসাধারণ জীবনসংগ্রাম, বীরত্ব এবং তাঁর অখণ্ড ‘স্বরাজ’-এর স্বপ্নকে রূপালি পর্দায় জীবন্ত করে তোলা হবে। প্রজেক্টটির জমকালো উদ্বোধনী আয়োজনে প্রযোজক ভূষণ কুমার অভিনেতা ঋষভ শেঠিকে ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের প্রায় ১০০ বছরের পুরনো একটি ঐতিহাসিক চিত্রকর্ম উপহার দিয়ে সম্মানিত করেন। পুরো টিম শিবাজি মহারাজের পবিত্র উত্তরাধিকারের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে এই দায়িত্ব পালনের কথা জানান।

কেন এই ছবি নিয়ে এত আলোচনা?

ছবির প্রযোজক ভূষণ কুমার এই প্রজেক্টের বিশেষত্ব তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, “মহারাষ্ট্র এবং ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ আমাদের যে সমৃদ্ধ ঐতিহ্য উপহার দিয়েছেন, তা নিয়ে দেশবাসীর গর্ব হওয়া উচিত। সিনেমার জাদুকরি মাধ্যমের সাহায্যে এই মহান ঐতিহ্যকে বিশ্ববাসীর দরবারে পৌঁছে দেওয়া আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। যখন পরিচালক সন্দীপ সিং প্রথম এই ছবির চিত্রনাট্যের আইডিয়া আমার সঙ্গে শেয়ার করেন, তখনই আমি বুঝতে পারি যে এই বিশাল ঐতিহাসিক গল্পটিকে সেলুলয়েডে তুলে ধরা অত্যন্ত জরুরি ছিল।”

তিনি আরও যোগ করেন, “পর্দায় ঋষভ শেঠির শক্তিশালী উপস্থিতি এবং যেকোনো ঐতিহাসিক চরিত্রকে নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলার যে জাদুকরী ক্ষমতা রয়েছে, তা এই ছবির জন্য একেবারে উপযুক্ত। টি-সিরিজের (T-Series) ব্যানারে এটি কেবল কোনো সাধারণ বাণিজ্যিক ছবি নয়, বরং ছত্রপতি শিবাজি মহারাজের অসামান্য কীর্তি ও উত্তরাধিকারের প্রতি আমাদের আন্তরিক শ্রদ্ধাঞ্জলি।”

বক্স অফিসে সাফল্যের নতুন ইতিহাস গড়ার পর ঋষভ শেঠির এই নতুন মারাঠা অবতার দর্শকদের কতটা মন কাড়ে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় সিনেদুনিয়া।