কলকাতা পুরভোটে বড় খবর! ডিলিমিটেশন মামলায় হাইকোর্টের বড় নির্দেশ, স্বস্তিতে রাজ্য

কলকাতা পুরসভার (KMC) আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশন ঘিরে তৈরি হওয়া আইনি জটে আপাতত হস্তক্ষেপ করল না কলকাতা হাইকোর্ট। ডিলিমিটেশন সংক্রান্ত প্রক্রিয়ায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারির আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন বিচারপতি হিরন্ময় ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চ। আদালতের এই সিদ্ধান্তের ফলে বর্ধিত বা পুনর্বিন্যস্ত আসনের ভিত্তিতে কলকাতা পুরসভার নির্বাচন সংক্রান্ত পরবর্তী পদক্ষেপ এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে আর কোনও আইনি বাধা রইল না।
৪ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা পেশের নির্দেশ
মামলার শুনানিতে আদালত স্পষ্ট জানিয়েছে যে, এখনই ডিলিমিটেশন প্রক্রিয়ায় কোনও হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে না। তবে রাজ্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলিকে তাঁদের বক্তব্য জানাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে:
পরবর্তী ৪ সপ্তাহ: কলকাতা পুরসভা, রাজ্য নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য সরকারকে তাঁদের লিখিত বক্তব্য বা হলফনামা জমা দিতে হবে।
পরবর্তী ২ সপ্তাহ: নির্বাচন কমিশন ও রাজ্যের জমা দেওয়া হলফনামার জবাবে মামলাকারীকে তাঁদের পাল্টা হলফনামা জমা দেওয়ার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
ছ’সপ্তাহ পর শুনানি: সব পক্ষ হলফনামা জমার পর, অর্থাৎ আগামী ছ’সপ্তাহ পর ফের এই গুরুত্বপূর্ণ মামলার পরবর্তী শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
মামলায় তৃণমূলের উপস্থিতি ও আদালতের পর্যবেক্ষণ
দীপু দাস নামের এক ব্যক্তির দায়ের করা এই মামলায় আসন পুনর্বিন্যাস বা ডিলিমিটেশনের পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তর আপত্তি ও অনিয়মের অভিযোগ তোলা হয়েছিল। মামলাটিতে তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষেও আদালতে আইনি বক্তব্য পেশ করা হয়।
তৃণমূলের প্রতিনিধি বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় জানান, গতকাল বিকেল তিনটে নাগাদ তাঁরা মামলার অনুলিপি (কপি) হাতে পেয়েছিলেন এবং আজ তাঁদের আইনি অবস্থান জানাতে আদালতে উপস্থিত হন। তবে আদালত জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী নির্দেশ জারির এই প্রাথমিক পর্যায়ে নতুন করে সওয়াল-জবাবের বিশেষ অবকাশ নেই। তৃণমূলের বক্তব্য আদালত নথিভুক্ত (রেকর্ড) করে নিয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।